বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ কে বরণ করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। গত মঙ্গলবার রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে মুখর ছিল ক্যাম্পাস, যা চলবে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাঙালি জীবনধারার নানা দিক তুলে ধরতেই এবারের আয়োজন সাজানো হয়েছে বাউল সংগীত, বৈশাখী মেলা, গ্রামীণ পরিবেশে সাজানো প্রবেশপথ, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং হস্তশিল্পের স্টলের মাধ্যমে। বর্ণিল শোভাযাত্রা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মীরা। রঙিন ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে উৎসবমুখর ছিলেন সবাই। ফুলের মালায় সেজে নারী শিক্ষার্থী ও কর্মীরা উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তোলেন।
সাভারের রেসিডেনশিয়াল সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরাও উৎসব থেকে পিছিয়ে ছিলেন না। তারা আলপনার মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাস রাঙিয়ে তোলে বৈশাখী আমেজ ছড়িয়ে দেন।
দিবসটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘বাউলা’র পরিবেশনায় সঙ্গীতানুষ্ঠান, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মীরা। পাশাপাশি নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার ও মেলার আয়োজনও উপভোগ করেন সবাই।
সপ্তাহব্যাপী এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই উৎসব আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করে এবং সবাইকে একত্রিত করে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড এবং অফিস অফ কমিউনিকেশন্স-এর পরিচালক খায়রুল বাশার।
ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সম্মিলনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এই আয়োজন হয়ে উঠেছে নববর্ষ উদযাপনের অনন্য উদাহরণ।
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ফিলিপাইন