চট্টগ্রামের পিচে প্রথম দিনের অধিকাংশ সময়েই রাজত্ব করেছিল জিম্বাবুয়ে। ২ উইকেটে ১৭৭ রান— মনে হচ্ছিল সফরকারীরা বড় সংগ্রহের পথে ছুটছে, আর বাংলাদেশ কেবল হাপিয়ে চলেছে।
কিন্তু শেষ সেশনে যেন পাশার দানই বদলে গেল। স্পিনের জাদুতে ম্যাচে ফেরালেন নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। দুজনের ঘূর্ণি তোপে ৪০ রানের ব্যবধানে গুঁড়িয়ে গেল জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং। ১৭৭/২ থেকে ২১৭/৯— আর দিন শেষে ২২৭ রান তুলেই প্রথম ইনিংস গুটিয়ে ফেলার শঙ্কায় সফরকারীরা।
চট্টগ্রামের ছেলে নাঈম হাসান ছোবল দেন প্রথমে। টানা দুই ওভারে তুলে নেন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ও সর্বোচ্চ ৬৭ রান করা শন উইলিয়ামসকে। এরপর গল্পের কেন্দ্রে আসেন তাইজুল ইসলাম— একাই চার উইকেট, সঙ্গে করানো একটি রানআউট।
দিনের শুরুটা যদিও ছিল ভিন্ন সুরের। ২ উইকেটে ৮৯ রান তুলে লাঞ্চে যায় জিম্বাবুয়ে। অভিষেক টেস্টে নেমে ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন তানজিম হাসান। আরেক ওপেনার বেন কারেনকে বোল্ড করেন তাইজুল।
লাঞ্চের পর থেকে চা বিরতি পর্যন্ত নির্বিঘ্নে এগিয়েছিল সফরকারীরা— বিনা উইকেটে ৭২ রান। তখনই মনে হচ্ছিল ম্যাচের লাগাম হাতছাড়া হতে বসেছে।
কিন্তু ক্রিকেট যে অনিশ্চয়তার খেলা— তা ফের প্রমাণ করে বাংলাদেশ। শেষ সেশনের ঝড়ে প্রথম দিনটা নিজের করে নিল স্বাগতিকরা।
‘এক ম্যাচ দেখে যারা সমালোচনা করে আমার মনে হয় না তারা খেলা বোঝে’
৮৫ হাজার দর্শকের সামনে মেসির মতো 'মাস্তানি' মাস্তানতুয়োনোর