ফরিদপুরের মধুখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ভুট্টাক্ষেত থেকে মাদরাসা শিক্ষক শেখ আল আজাদের লাশ উদ্ধার করেছে মধুখালী থানা পুলিশ। নিহত শেখ আল আজাদ (৬০) মধুখালী উপজেলার চরবামুন্দী ইয়াছিন দাখিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত সরকারী শিক্ষক চজিলেন। তিনি উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব তানভির আহমেদ শিমুলের বাবা।
আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে জাহাপুর ইউনিয়নের কঠুরাকান্দী গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর পুলিশ সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তি মো. রাসেল সেখ (৪০)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে শেখ আল আজাদ মাদরাসায় যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের উদ্বেগে সেদিন রাতেই মধুখালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ চরবামনদী গ্রামের যুবক রাসেল সেখকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রাসেল হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে এবং লাশের অবস্থান জানিয়ে দেন।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, শেখ আল আজাদের নিখোঁজের ঘটনায় তদন্ত করে রাসেল সেখকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে কঠুকান্দী গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত না হওয়া গেলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পারিবারিক কলহ, বিশেষ করে নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
ভালো খেলতে থাকা মুশফিক নিজের ভুলে রান আউট
আশুলিয়ায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক 