জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ পিলখানা, শাপলা চত্বর, জুলাই গণহিত্যা ঘটিয়েছে। আওয়ামী লীগ খুনিদের দল। খুনিরা রাজনীতি করতে পারবে না। খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই।
আজ শুক্রবার (২ এপ্রিল) বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সামনে আওয়ামী লীগের বিচার ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, আজ থেকে ৯ মাস আগে আমরা হাত উঁচু করে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের রায় দিয়েছিলাম। ঠিক নয় মাস পরে এই বাইতুল মোকাররমের সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা রায় দেব। আজকে মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচু করে আপনারা বলবেন এই আওয়ামী লীগ পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কি না? এই আওয়ামী লীগ শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কি না, জুলাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কি না। এই আওয়ামী লীগ খুনিদের দল কি না? তাহলে এই খুনিদের দল আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারবে কি না? তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই কি না, শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই কি না। আমাদের এই যুদ্ধ ততদিন চলবে, আওয়ামী লীগ যতদিন না নিশ্চিহ্ন হচ্ছে।
এ সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আহত এবং শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা আপনাকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। আমরা আপনাকে অনুরোধ করছি না, আপনাকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিচ্ছি- আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার সুশীল তত্ত্বাবধায়ক সরকার না। আপনাদের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, খুনি আওয়ামী লীগ কেন নিষিদ্ধ করছেন না? আপনাদের হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করে সন্ত্রাসীদের খাতায় তুলতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখে বাংলাদেশের নির্বাচন হবে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি, তাদেরকেও নিষিদ্ধ করতে হবে। আর আওয়ামী লীগকে আইনের হাতে তুলে দিন, যদি জনগণের হাতে পড়ে, তাহলে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।
সভায় আরো বক্তব্য দেন মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দীন মাহাদী, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর, যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার, যুগ্ম সদস্যসচিব তাহসীন রিয়াজ, সংগঠক রফিকুল ইসলাম আইনী, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, সংগঠক মোস্তাক আহমেদ শিশির, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার প্রমুখ।
হাতের ছোঁয়ায় গড়া কুমিল্লার খাদি পেল জিআই স্বীকৃতি