হিলিতে মাঝারি তাপপ্রবাহ, আয় কমে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ

আপডেট : ১১ মে ২০২৫, ০৪:১৪ পিএম

দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে গত কয়েকদিন ধরে বহমান মৃদু তাপপ্রবাহের তীব্রতা মাঝারি আকারে রূপ নিয়েছে। গরমের কারণে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। যাত্রী কমে যাওয়ায় আয় কমে বিপাকে পড়েছেন রিকশাভ্যান চালকরা। গরমের কারণে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

হিলিতে গত ৪/৫ দিন ধরেই তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। গরমের মধ্যে একটু কাজ করতেই হাঁপিয়ে উঠছেন দিনমজুররা। একটু পর পর বিশ্রাম নিতে হচ্ছে তাদের। ঠিকমত কাজ করতে না পারায় তাদের রোজগার কমে গেছে। গরমজনিত নানা রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। বৃষ্টি হলে স্বস্তি ফিরবে বলে জানিয়েছেন তারা।

দিনমজুর মোহাব্বত হোসেন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে বৃষ্টি নেই। গত ৪/৫ দিন ধরে হিলিতে বেশ গরম পড়েছে। কিন্তু গতকাল থেকে সেই গরমের মাত্রা আরও বেড়েছে। গরমে বাড়ির বাইরে যাওয়া কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। শরীর একেবারে ঘেমে যাচ্ছে। চলাফেরা করাও খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিকমত কাজ করা যাচ্ছে না। একটু পর পর বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে হয়তো এই তীব্র গরম থেকে রক্ষা পাবো।   

রিকশা চালক আব্দুল খালেক বলেন, গরমে ঠিকমত রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আয় আগের তুলনায় কমে গেছে। আগে দিনে ৫ থেকে ৭শ টাকা আয় হত। এখন সারা দিনে ২ থেকে ৩শ টাকা আয় করাও কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে। রিকশার যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছে না এমন অবস্থা। গরমে মানুষ বের হচ্ছে না। এখন এই টাকায় রিকশার কিস্তি চালাব না পরিবারের জন্য চাল-ডাল কিনব দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে গেছি। 

কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, আমরা কৃষক মানুষ। না খাটলে তো সংসার চলবে না। গাছ থেকে সুপারি পেড়ে বিক্রির জন্য রোদের মধ্যেই সাইকেল চালিয়ে হিলিতে এসেছি। এই রোদে চলাচল করা খুব মুশকিল হয়ে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর দিনাজপুরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গত দুই দিন ধরে দিনাজপুর জেলার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রবিবার বিকেল ৩টায় দিনাজপুর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত