বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াড (বিডিএআইও)। এবারের প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)।
এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে পারবে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন স্কুল, কলেজ, কারিগরি শিক্ষাবোর্ড এবং ব্রিটিশ কারিকুলামের শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে ৩ ও ১০মে অলিম্পিয়াডের প্রাথমিক বাছাইপর্ব সম্পন্ন হয়েছে। যেখান থেকে ১৭১ জন কে জাতীয় পর্যায়ের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ের রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে শনিবার (১৭ মে) বিইউবিটি ক্যাম্পাসে। উদ্ভোধনী আয়োজনের পর নির্ধারিত কক্ষে ৫ ঘন্টাব্যপী মেশিন লার্নিং অ্যান্ড প্রোগ্রামিং কনটেস্ট আয়োজিত হবে। এখান থেকে নির্বাচিত বিজয়ীরা চীনের বেইজিং শহরে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। এছাড়াও বিজয়ীদের জন্য থাকছে সনদপত্র, আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং অনলাইন ও অফলাইন প্রশিক্ষণের সুযোগ
চলতি বছরের প্রতিযোগিতায় নতুন সংযোজন হিসেবে থাকছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পাইথন প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও শূন্যস্থান পূরণ নিয়ে কুইজ পর্ব যেখানে ৩০ মিনিট এর কুইজ কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হবে। কুইজ প্রতিযোগিতার পর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্যানেল ডিসকাশন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্বের জন্য ইতিমধ্যে জুনিয়র এবং সিনিয়র ক্যাটাগরিতে ২৩৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এখানে বিজয়ীদের জন্যও থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিইউবিটি’র সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী, আইকিউএসি এবং বিআরআইসি’র পরিচালক অধ্যাপক শান্তি নারায়ণ ঘোষ, বিডিএআইওর দলনেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড.বি এম মইনুল হোসেন, ডীন ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস ড. মুন্সী মাহবুবুর রহমান, বিইউবিটি সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুর রহমান, আয়োজনের প্রধান স্পন্সর রিভ চ্যাটের হেড অব প্রোডাক্ট এন্ড গ্রোথ মামুনুর রউফ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম রেজাউল হাসান এবং বিইউবিটি ও বিডিওএসএনের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াড শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি তরুণদের জন্য ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে দক্ষভাবে গড়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।’ বিইউবিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ আয়োজনটির সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
