বিশ্বখ্যাত স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল সোমবার বিষয়টি ফোন কলের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় এবং আজ মঙ্গলবার সকালে প্রতিষ্ঠানটির এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে তথ্যটি প্রকাশ করা হয়।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, স্টারলিংক অফিসিয়ালি বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ফোন কলের মাধ্যমে তাকে এই তথ্য জানানো হয় এবং আজ সকালে তাদের এক্স হ্যান্ডেলে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, শুরুতে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ চালু করবে—স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট। মাসিক খরচ যথাক্রমে ৬ হাজার ও ৪২০০ টাকা। তবে সেটআপের জন্য এককালীন ৪২ হাজার টাকা খরচ হবে। এখানে স্পিড বা ডাটা লিমিট নেই। গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ৩০০ এমবিপিএস গতিতে আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের গ্রাহকরা আজ থেকেই অর্ডার দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে যাত্রার সূচনা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যাশা পূরণ হলো।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, খরচ স্বল্প হলেও এটি প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য উচ্চমান ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার একটি টেকসই বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি যেসব অঞ্চলে এখনও ফাইবার বা দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছায়নি, সেখানে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া এনজিও, ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তারা সারাবছর নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির ইন্টারনেটের সুবিধা পাবেন।
তিনি আরও জানান, এই সফলতায় প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে স্টারলিংক দক্ষিণ এশিয়ার নতুন বাজারে প্রবেশ করেছে, যা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছানোর নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত বেড়ে ৫৩ হাজার ৫০০
টিভিতে আজ যত খেলা