খুলনায় দিনে-দুপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ট্যাংকলরি মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ হোসেনসহ (৫৬) ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকালে নগরীর খালিশপুর থানার যমুনা রোডের মালা গ্যারেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ অপর দুইজন হলেন- ফরহাদ হোসেনের ড্রাইভার মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার ম্যানেজার সোহেল। ফরহাদ হোসেনসহ গুলিবিদ্ধ তিনজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জ্বালানি তেল ডিপো যমুনার সামনে থেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকারে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন ট্যাংকলরি মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব ফরহাদ হোসেনসহ তিনজন। এ সময় একটি ব্যারেলবাহী পিকআপভ্যান তাদের গতিরোধ করে। মুহূর্তের মধ্যে পিকআপ ভ্যানের সামনে বসে থাকা একজন তাদের লক্ষ্য করে শটগান দিয়ে গুলি করতে গেলে প্রাইভেটকারের চালক মনিরুল প্রাইভেট কারটি পেছনের দিকে ব্যাক করে। তখন তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা অন্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে-ছুড়েতে প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়া করে। শটগানের গুলির ছররা ফরহাদ হোসেনের বাম কানে এবং মাথার ডান পাশের চামড়া ছুয়ে যায়। এছাড়া শটগানের গুলি প্রাইভেটকারের চালক মনিরুল ইসলামের বাম হাতে এবং তার ম্যানেজার সোহেলের পিঠে বিদ্ধ হয়। ঐ অবস্থায় চালক তাদের নিয়ে ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ঘটনাক্রমে ফরহাদ হোসেনসহ তারা বেঁচে যান।
স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তদের মুখে মাস্ক পরা ছিল।
এ ব্যাপারে নগরীর খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান হোসেন মিলন বলেন, ফরহাদ হোসেনসহ তিনজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আবুল বাশার মোহাম্মাদ আতিকুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে ৫-৬ টি গুলি করেছে। প্রাইভেটকারের কাচ ভেদ করে ফরহাদ হোসেন, তার গাড়ির চালক মনিরুল ইসলাম ও ম্যানেজার মো. সোহেল আহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের আটক করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
আওয়ামী রক্ত আছে এমন কারও পুনর্বাসন হবে না: হাসনাত
ঈদে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকভাবে কাজ করার নির্দেশ আইজিপির