মায়ামির আলো ঝলমলে মাঠে খেলা চলছে। এলএমএসে ইন্টার মায়ামির হয়ে বল পায়ে মেসি আর সুয়ারেস যখন গোল খুঁজছেন, তখন হয়তো কেউই ভাবেনি তারা আরেকটা খেলা শুরু করে দিয়েছেন হাজার মাইল দূরে—উরুগুয়ের মন্তেভিদিওতে।
সেই খেলার নাম: "দেপোর্তিভো এলএসএম"—একটা নতুন ফুটবল ক্লাব, যার পেছনে আছে ফুটবলের দুই কিংবদন্তির ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আর ভবিষ্যতের জন্য গড়ে তোলা স্বপ্ন।
২০২২ সালেই লুইস সুয়ারেস শুরু করেছিলেন পরিকল্পনা। নিজের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে শুরু করেছিলেন 'ডেপোর্তিভো এলএস' নামের ক্লাবটি। পরে মেসি যুক্ত হন, এবং ক্লাবের নাম হয় ‘দেপোর্তিভো এলএসএম’—লুইস, সুয়ারেস আর মেসির যৌথ মিশন।
সুয়ারেজ বলেন, 'আমরা (আমি ও মেসি) ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে অনেক মিলের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছি। তাই আজ আমি আমার এক বন্ধু ও সতীর্থকে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, যার সঙ্গে আমার অনেক কিছু মিল রয়েছে। এই প্রজেক্টটি আমাদের ফুটবল দর্শন ভাগ করে নেওয়ার জন্য আদর্শ একটি সুযোগ।"
মেসি বলেছেন, 'সবার আগে আমি লুইস (সুয়ারেজ) কে ধন্যবাদ দিতে চাই আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য, আমাকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত করার জন্য। যে প্রজেক্টটি তিনি বহু বছর ধরে গড়ে তুলেছেন, তা আমার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য। এটি অনেক বড় হয়েছে। আমি আশা করি, তাঁর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করে ক্লাবটিকে আরও বড় করে তুলতে পারব।'
ক্লাবটির অবস্থান মন্তেভিদিওর নিকটবর্তী Ciudad de la Costa এলাকায়। ইতোমধ্যেই ২০২২ সালে ক্লাবটির স্পোর্টস কমপ্লেক্স “কমপ্লেক্সো এলএস” চালু হয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ মাঠ, লকার রুম, এবং অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে।
শুরু ডিভিশন ‘ডি’ থেকে, লক্ষ্য আন্তর্জাতিক
উরুগুয়ের চতুর্থ স্তরের লিগ “ডিভিশন ডি” থেকে যাত্রা শুরু করছে ক্লাবটি। এখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে তোলা হবে দেশের অন্যতম সেরা দল। শুধু সিনিয়র নয়, ক্লাবটি যুব দলের প্রতিও নজর দিয়েছে। তারা উরুগুয়ের ফুটবল ফেডারেশন (AUF) কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।
এই প্রকল্প শুধু উরুগুয়ের ফুটবল নয়, পুরো দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত।
বার্সেলোনার সংগে নতুন চুক্তি ইয়ামালের, বছরে বেতন ১৮৮ কোটি টাকা
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে থাকছে না ডিআরএস