ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে পিংকী রানী দাস নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর এলাকার শ্রীকান্ত কুমার দাসের মেয়ে। এ ঘটনায় গতকাল স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির ছয়জনের বিরুদ্ধে শৈলকুপা থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, আট বছর আগে পারিবারিকভাবে পিংকী রানী দাসের বিয়ে হয় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী গ্রামের সুমন কুমার দাসের সঙ্গে। তাদের ঘরে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান এবং আট মাস বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন কারণে পিংকীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
গত ২১ মে সন্ধ্যায় স্বামীর কাছে কাপড় কিনে দেওয়ার অনুরোধ করেন পিংকী। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পিংকীর স্বামী, শ্বশুর ও প্রতিবেশী রামকৃষ্ণসহ কয়েকজন লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পিংকির বাবার বাড়ির লোকজন দুদিন পর কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ মে বিকেলে পিংকী মারা যান। কুষ্টিয়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন কুমার ম-ল লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
নিহতের বাবা শ্রীকান্ত কুমার দাস বলেন, ‘আমার মেয়েকে যারা হত্যা করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।
