নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

স্কুল অফ হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ওয়েবিনার ‘হায়ারার্কি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ 

আপডেট : ০১ জুন ২০২৫, ০৮:০৯ পিএম

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) স্কুল অফ হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (এসএইচএসএস) বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ‘হায়ারার্কি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ শীর্ষক একটি ওয়েবিনার সফলভাবে আয়োজন করে।  

এই অনলাইন আলোচনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও আইন পেশাজীবীদের একটি দল অংশগ্রহণ করে। এই সেশনের অতিথি বক্তা ছিলেন প্রফেসর মাতিয়াঙ্গাই সারলিফ, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিল্যান্ড ফ্রান্সিস কিং ক্যারি স্কুল অফ ল’-এর নাথান প্যাটজ প্রফেসর অফ ল’ এবং ইউনিভার্সিটি অফ ম্যারিল্যান্ড স্কুল অফ মেডিসিনের এপিডেমিওলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপিকা।
  
এনএসইউ-র সহকারী অধ্যাপক ও অফিস অফ এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালিকা ড. সিনথিয়া ম্যাকেইনি সেশনটি সঞ্চালনা করেন এবং অতিথি বক্তাকে তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করার জন্য ধন্যবাদ জানান। এনএসইউ-র এসএইচএসএস-এর ডিন ও আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. রিজওয়ানুল ইসলাম তার প্রারম্ভিক বক্তব্যে ঐতিহাসিকভাবে এক জাতিকে গৌরবান্বিত করা ও অন্যটিকে হেয় করার মানবাধিকারের নেতিবাচক প্রভাবগুলো তুলে ধরেন।   

প্রফেসর সারলিফ তার বক্তব্যে দেখান কিভাবে প্রচলিত গবেষণা কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিদের মৌলিক অধিকারের দাবি এবং অবদানকে উপেক্ষা করছে। তিনি 'মাস্টার ন্যারেটিভ' নিয়ে আলোচনা করেন, যা শুধু কৃষ্ণাঙ্গ-বিরোধী নয় বরং শ্বেতাঙ্গ-আধিপত্যবাদকে সমর্থন করে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের ঐতিহাসিক দাবিগুলোকে অবহেলা করে। তিনি দেখান কিভাবে মানবাধিকারের বৈশ্বিক মানদণ্ড একটি জাতিগত পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সার্বজনীনতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তাই, ‘মানবাধিকার’ এর পুরো ধারণা পুনর্বিবেচনা করার ব্যাপারে তিনি জোর দেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রফেসর সারলিফের সাথে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রাম নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং প্রফেসর সারলিফ এই বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, 'কৃষ্ণাঙ্গদের তাদের যথাযথ মর্যাদা না দেওয়া পর্যন্ত বর্ণবাদ বিলুপ্ত করা অসম্ভব’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত