মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই মিউনিখে ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতেছে পিএসজি, ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো জিতেছে চ্যাম্পিয়নস লিগ। এত বছরের ব্যর্থতা, তারকানির্ভর দল গঠনে বিলিয়ন ইউরো খরচ—সবই যেন সফলতার মোড়কে মোড়া পড়েছে অধিনায়ক মার্কিনহোসের হাতে শিরোপা ওঠার মধ্য দিয়ে।
কোচ লুইস এনরিকে তখনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পরবর্তী লক্ষ্য ক্লাব বিশ্বকাপ: “এটি অসাধারণ এক প্রতিযোগিতা। আমরা মৌসুমের পঞ্চম শিরোপা জয় করতে চাই।”
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর প্যারিস যেন উৎসবে ভাসে—চ্যাম্পস-এলিসিসে কুচকাওয়াজ, প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সংবর্ধনা, আর পার্ক দেস প্রিন্সেসে ৫০ হাজার ভক্তের সঙ্গে উদযাপন। সেই উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই পিএসজি রওনা দেয় নতুন যাত্রার পথে।
পেছনে ফেলে আসা মৌসুমে পিএসজি খেলেছে ৫৮টি ম্যাচ, জিতেছে ফ্রান্সের সব ঘরোয়া শিরোপা। এখন বিশ্ব মঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের পালা। ক্লাব বিশ্বকাপে তারা খেলবে গ্রুপ ‘বি’-তে, প্রথম ম্যাচ রবিবার প্যাসাডেনার রোজ বোলে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে। এরপর প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের বোটাফোগো ও মেজর লিগ সকারের সিয়াটল সাউন্ডার্স।
এনরিকে বলেন, “দীর্ঘ মৌসুম শেষে খেলোয়াড়রা ক্লান্ত—শারীরিক ও মানসিকভাবে। কিন্তু এই প্রতিযোগিতা নিয়ে তাদের মধ্যে উৎসাহ প্রবল। সেটাকে কাজে লাগাতে হবে।”
তবে চ্যালেঞ্জ কম নয়। দলের শীর্ষ স্কোরার ওসমনে দেম্বেলে চোটে পড়েছেন ফ্রান্সের হয়ে খেলার সময়। জুনের দলবদল শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত নতুন কোনো তারকা নাম লেখাননি পিএসজিতে, যদিও বোর্নমাউথের ইউক্রেনীয় ডিফেন্ডার ইলিয়া জাবার্নির প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে ক্লাবটি।
তবু ক্লাব বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের নজর সাফল্যের দিকেই। কারণ এখানকার আর্থিক পুরস্কারও কম নয়—শিরোপা জিতলে ইউরোপীয় ক্লাব হিসেবে পিএসজি পেতে পারে ১২৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত, যা দলকে আরও উতসাহিত করবে।
বিশ্বকাপজয়ী মেসির সামনে নতুন লক্ষ্য ক্লাব বিশ্বকাপ