বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিতে হত্যাচেষ্টা, ১১ মাস পর মামলা

আপডেট : ২২ জুন ২০২৫, ০৩:৫৭ পিএম

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় এগারো মাস পর মামলা দায়ের করেছেন ফেনীর দাগনভূঞার জামসেদুর আলম নামে এক ব্যক্তি।

শুক্রবার (২০ জুন) রাতে ফেনী মডেল থানায় তিনি বাদী হয়ে ১৫১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-১০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ফেনী মডেল থানার ওসি মো. সামসুজ্জামান মামলা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে মামলার আসামি হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, ফেনী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী, ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন মজুমদার, পরশুরাম পৌরসভার সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, দাগনভূঞা পৌরসভার সাবেক মেয়র ওমর ফারুক, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি ও শর্শদি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঁইয়া, রাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ভূঁঞা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমদ তপু ও সাধারণ সম্পাদক নুর করিম জাবেদ, কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি নোমান হাবীব, জেলা যুব মহিলালীগ সাধারণ সম্পাদক মঞ্জিলা মিমি প্রমুখ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী জামসেদুর আলম দাগনভূঞা উপজেলার সমাসপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি ৪ আগস্ট মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বাদীর দাবি, চিকিৎসা ও কাজের ব্যস্ততার কারণে মামলা দায়ের করতে দেরি হয়েছে। 

ফেনী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুজ্জামান বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত