ইরানে পরিচালিত অভিযানে মূল লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ইসরায়েল। বিশেষ করে দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও পারমাণবিক স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সাধনের ক্ষেত্রে। ইসরায়েল দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তবে লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান বন্ধও করবে না।
রবিবার এমনই মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত বিমান হামলার পর নেতানিয়াহু বলেন, হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। ইসরায়েল হুমকি দূর করছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে থামিয়ে দিচ্ছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতা ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য সরাসরি হুমকি। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে ২০২৪ সালে হত্যার পর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছিল ইরান এবং তখনই অভিযান চালানো জরুরি হয়ে পড়ে। ইরান প্রতিমাসে ৩০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছিল এবং গত ১০ দিনে দেশটির অর্ধেকের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।
ইরানের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের কাছে মজার তথ্য রয়েছে, তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। তার মতে, এই মাত্রার ইউরেনিয়াম পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এবং এর কোনো বেসামরিক ব্যবহার নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি আগেই ট্রাম্পকে হুমকির ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন। ট্রাম্প আমেরিকা, মুক্ত বিশ্ব এবং সভ্যতার জন্য সঠিক কাজটিই করেছেন।
