জুতা কেনার সময় অনেকেই বুঝতে পারেন না। কোন ধরনের কেডস বা স্নিকার্স তার পায়ের জন্য ভালো। জুতা কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রেখে জুতা কিনবেন জেনে নিন।
বড় আকারের স্নিকার্স ভারী। এই বড় স্নিকার্স সাজে বেশ প্রাধান্য পেত এক সময়। কিন্তু এখনকার বাহুল্যবর্জিত সাজে অতিরিক্ত বড় আকারের জুতা মানায় না। গোটা শরীরের চেয়ে বড় দেখায় পা দুটি। দেহের অনুপাত বুঝে জুতা কিনুন। স্নিকার্স বা কেডস যতই কেতাদুরস্ত হোক, ঠিকভাবে পায়ের সঙ্গে খাপ না খেলে, পায়ের জন্য যেমন অসুবিধা তেমনি হাঁটতে পারবেন না। খুব বড় স্নিকার্স পরলে হাঁটার কায়দা নষ্ট হয়ে যায়। অন্য দিকে খুব ছোট জুতা পায়ে চেপে বসে থাকে। তাতে বাড়ে অস্বস্তি। তাই জুতার সঙ্গে পায়ের মাপ না মিললে সে জুতা পরা উচিত নয়। এমনকি পায়ের মাপের সঙ্গে যথাযথ না হলে জুতা স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। পায়ে ফোসকা পড়ে, ব্যথা হয়, হাঁটুতেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। রুচিশীল ব্র্যান্ডিং এক জিনিস, অত্যধিক লোগো বসানো অন্য জিনিস। বিশাল লোগো বা বারবার ব্র্যান্ডের নাম লাগানো স্নিকার্স দৃষ্টিকটু। চেষ্টা করুন এ ধরনের কেডস বা জুতা না কিনতে। জুতা নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার। যদি দেখেন, পরিষ্কার করার পর আগের রঙ আর ফিরছে না, তা হলে বুঝতে হবে সেই জুতাকে বিদায় দেওয়ার সময় হয়ে এসেছে। উজ্জ্বল নিয়ন রঙ এবং অতিরিক্ত ঝলমলে ডিজাইন করা জুতা মার্জিত সাজের সঙ্গে মানায় না। যদি বা কিছু পার্টিতে তা ভালো লাগতে পারে, কিন্তু রোজের সাজপোশাকের জন্য এগুলো বড্ড বেমানান। পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে জুতা কিনুন।
