বাংলাদেশে এই প্রথম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হিউম্যান রাইটস অলিম্পিয়াড ২০২৫’। মানবাধিকার বিষয়ক সচেতনতা ও শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে আয়োজিত এ অলিম্পিয়াডের লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেশের তিনটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
অলিম্পিয়াডটির আয়োজক সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি’ জানিয়েছে, দেশের তিনটি বিভাগীয় শহরে একযোগে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা মানবাধিকার সম্পর্কে তাদের জ্ঞান ও সচেতনতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।
লিখিত পরীক্ষাটি সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদেরকে সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সমস্ত পরীক্ষার্থীকে যথাসময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এছাড়া কেউ যাতে মোবাইল ফোন বা নিষিদ্ধ কোনো সামগ্রী সঙ্গে না আনেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই অলিম্পিয়াড শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি মানবাধিকার বিষয়ক জ্ঞানের বিকাশ এবং চর্চার একটি মূল্যবান প্ল্যাটফর্ম।
লিখিত পরীক্ষাট তিনটি বিভাগীয় শহরের নির্ধারিত কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা কেন্দ্রের পরীক্ষা নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের ৫ম তলায়, কেন্দ্র নম্বর ৪ ও ৫-এ। সিলেট কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) একাডেমিক ভবন-ডি এর ৪র্থ তলায়। আর চট্টগ্রাম কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রাম কলেজের একাডেমিক ভবন-৩ এর কক্ষ নং ১০১-এ।
পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে মোবাইল ফোনসহ কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আয়োজক সংস্থা জানিয়েছে, পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অলিম্পিয়াড আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মানবাধিকার সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি সৃষ্টি করা, অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং মানবাধিকারকে জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।
এই অলিম্পিয়াডের আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার চর্চায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে তাদেরকে মানবাধিকার রক্ষায় সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
