বগুড়ার শেরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। শুক্রবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক খান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের হুসনাবাদ পশ্চিমপাড়া গ্রামের মহারম আলীর ছেলে রাকিবুল হাসানের (২০) সঙ্গে একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আয়েশা হালিমার (১২) বিয়ের আয়োজন করা হয়।
শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক খান তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন। এ সময় বরকে ১৫ দিনের জেল এবং ৮ ধারায় কনে ও বরপক্ষকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া কনের পরিবারের প্রতি তার পড়ালেখা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকির জন্য স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশিক খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাল্যবিবাহ এক ধরনের অভিশাপ। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। এ ধরনের সামাজিক অপরাধে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় ১৩ সেনা সদস্য নিহত