প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির ৫ মামলায় গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ২৩ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ জুলাই দিন ঠিক করেছেন আদালত। অন্য যাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
মঙ্গলবার প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির ছয়টি মামলার দিন ছিল। এক মামলায় গত ১৭ জুন শেখ হাসিনাসহ ১২ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ হয়, তবে এই মামলায় গেজেট এখনো প্রকাশিত হয়নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার পরিবারের অন্য সদস্যরা পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নেয়। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে তাদের নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ছয়টি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত ডিসেম্বরে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরে কয়েক ধাপে ছয়টি মামলা করা হয়। এসব মামলার অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
