রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদার হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বুধবার তাকে আদালতে হাজির করার পর এই আদেশ দেন বিচারক।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম রিমান্ড চেয়ে ১০ দিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করা হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন প্রার্থনা এবং রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল ওয়াহাব সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত ২৩ জুন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে আদালত সুব্রত বাইনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। ওইদিন তাকে কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে গুলিবিদ্ধ হন যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদার। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দুই দিন পর, ২১ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত আরিফ সিকদার ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ–ক্রীড়া সম্পাদক।
ঘটনার পর নিহত আরিফের বোন রিমা আক্তার হাতিরঝিল থানায় ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এজাহারে অন্যতম আসামি হিসেবে সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুর নাম উল্লেখ করা হয়। মামলাটি বর্তমানে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার তেজগাঁও বিভাগ তদন্ত করছে।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন– মো. ইয়াছিন (১৯), মো. আসিফ হোসেন (২১), মো. অনিক (১৯), মো. মিরাজ (১৯), মো. আশিক (১৯), মো. ইফতি (২৪), জাফর ইমাম তরফদার মন্টু (৪০), রতন শেখ (৪৫) ও আলিফ (১৯)।
এর আগে, গত ২৭ মে সেনাবাহিনীর একটি অভিযানে সুব্রত বাইন, তার সহযোগী মোল্লা মাসুদসহ চারজনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। পরে হাতিরঝিল থানায় অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় আদালত সুব্রত বাইনের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সিরিজ হেরে মিরাজ কখন কী বলছেন নিজেও জানেন না!