এবার নিজেকেই তিনবার ‘স্টুপিড’ বললেন গাভাস্কার

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৫, ০৯:৩৮ এএম

চলতি বছরের শুরুতে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফরের কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। রিশাভ পান্তের ওপর চটে গিয়ে তাকে তিনবার স্টুপিড বলেছিলেন ভারতের কিংবদন্তি ওপেনার সুনিল গাভাস্কার। পান্তের আউট হওয়ার ধরনে তিনি খুশি হতে পারেননি। পরে চলতি ইংল্যান্ড সফরে পান্তের সেঞ্চুরির পর অবশ্য তিনি পান্তের সেঞ্চুরি দেখে ‘সুপার্ব, সুপার্ব, সুপার্ব’ বলতে বাধ্য হন। সেই গাভাস্কারের মুখে আবারও শোনা গেল ‘স্টুপিড’ শব্দটি।

এবার অবশ্য কোনো ক্রিকেটারকে নয়, নিজেকেই বোকা বলেছেন গাভাস্কার। লর্ডসে তৃতীয় দিন চা বিরতির সময় সঞ্চালক সঞ্জনা গণেশনের সঙ্গে গাভস্কার কথা বলছিলেন। বিরতির কিছুক্ষণ আগে বেন স্টোকসের একটা বল নীতীশ রেড্ডির হেলমেটে লাগে, সেটা নিয়েই আলোচনা হচ্ছিল। সঞ্জনা জানতে চান গাভাস্কার তার খেলোয়াড়ী জীবনে কীভাবে হেলমেট ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের সামলেছেন?

গাভাস্কার জানান, তিনি প্রথমের দিকে খালি মাথায় খেললেও ক্যারিয়ারের শেষ দিকে একটা হেডগিয়ার (কপাল ঢাকার আবরণ) পরতেন। তিনি বলেন, ‘শুরুর দিকে তো কিছুই পরতাম না। বলের দিকে নজর রাখতাম। বাউন্সার দিলে ঝুঁকে যেতাম। তবে শেষ কয়েক বছর একটা হেডগিয়ার পরতাম। মাইক ব্রিয়ারলিকে কাউন্টি ক্রিকেটে পরতে দেখেছিলাম। তারপর নিজের জন্য বানিয়ে নেই। এতে কিছুটা হলেও মাথা নিরাপদ থাকত। মার্শালের একটা বাউন্সার সোজা আমার কপালে লেগেছিল। ব্যাট সরালেও মাথা সরাতে পারিনি। হেডগিয়ার থাকায় বেঁচে যাই।’

তবে সেই হেডগিয়ারও সারাক্ষণ পরতেন না গাভাস্কার। ভারতের সাবেক এই ওপেনারের ভাষায়, ‘নতুন বল খেলার সময় হেডগিয়ার পরতাম। বল একটু পুরনো হলে খুলে রাখতাম।’ এই কথা শুনে সঞ্জনা বলেন, ‘আপনি খুব সাহসী ছিলেন!’ জবাবে গাভাস্কার বলেন, ‘কিংবা হয়তো স্টুপিড ছিলাম। স্টুপিড, স্টুপিড, স্টুপিড!’ এ কথা বলে নিজের কপালের দিকে হাত দিয়ে দেখান গাভাস্কার। তার কাণ্ড দেখে হেসে ফেলেন সঞ্জনা এবং আলোচনায় উপস্থিত মাইকেল ভন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত