বগুড়ার শেরপুরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে নাশকতা মামলার আসামি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে শেরপুর থানার এসআই তোফাজ্জল হোসেন ও এসআই সরাফতের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শাহ-বন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া দহপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে হামলা, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে (৫৫) নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে থানায় নেওয়ার পথে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ওই নেতাকে ছিনিয়ে নেন তার ছেলে, ভাতিজা ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য। এ সময় পুলিশের চার সদস্য—এসআই সরাফত, কনস্টেবল নুরনবী, সিরাজুল ইসলাম ও আইনুল ইসলাম আহত হন।
এ ঘটনায় এসআই তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে শেরপুর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- নজরুল ইসলাম লিটন, সিরাজুল ইসলাম (৫৫), আমিরুল ইসলাম রনি (২৩), রায়হান কবির পলাশ (২৭), গোলাপ হোসেন (৩৫), নুরুল ইসলাম নুর (৫৫), জাফর ইকবাল (৪০) ও সাইদুর রহমান (৫৫)।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঈনুদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।’
ওবামার বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ অভিযোগ তুললেন ট্রাম্প