শিক্ষিকা মাহেরিনের সমাধিস্থলে নীলফামারী প্রশাসনের শ্রদ্ধা

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৫, ০৪:১১ পিএম

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০ শিক্ষার্থী প্রাণ রক্ষা করে নিজের জীবন উৎসর্গকারী নিহত সাহসী শিক্ষিকা মাহেরিন চৌধুরীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জালি জ্ঞাপন করেছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন।

বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়াস্থ মরহুম শিক্ষিকার সমাধিস্থলে পৃথকভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ও পুলিশ সুপার এ এফ এম তারিক হোসেন খান।

এ সময় মরহুমা শিক্ষিকার স্বামী মনছুর আলী হেলাল, দুই সন্তান আয়ান রহীদ মিয়াদ চৌধুরী ও আদিল রহীদ মাহিব চৌধুরী, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন, জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা, জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সমাধিস্থল জিয়ারত, একমিনিট নিরবতা পালন ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাতে দোয়া করেন তারা।

জানা যায়, জলঢাকার বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী ২৮ জুলাই। সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা ছিল শিক্ষক মেহেরিনের প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই তিনি লাশ হয়ে ফিরলেন।

সূত্র জানায়, মেহেরীনের জন্ম ১৯৭৯ সালের ৬ জুন। তিনি ১৯৯৫ সালে ঢাকার শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও ১৯৯৭ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর তিতুমীর কলেজ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন।

মাহেরীন চৌধুরী শিক্ষকতার চাকরি জীবনে সবচেয়ে বেশী সময় পার করেছে নীলফামারীর জলঢাকায়। এরপর চলে যান ঢাকায়। যোগদান করেন উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। সেখানে তিনি স্কুলের বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর(৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির) সিনিয়র শিক্ষিকা ছিলেন। পরিবার নিয়ে ঢাকার উত্তরার একটি বাসায় বসবাস করতেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত