গাজায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের কাছে রেড ক্রসের মাধ্যমে খাবার পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।
তবে কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে রবিবার (৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সংগঠনটি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস সম্প্রতি এক ভিডিও প্রকাশ করে, যাতে একজন জিম্মির চরম দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা ফুটে উঠেছে। এতে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হামাস এ ঘোষণা দেয়।
হামাসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েল যদি গাজায় স্থায়ী মানবিক করিডোর খোলে এবং ত্রাণ বিতরণের সময় বিমান হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখে, কেবল তখনই তারা রেড ক্রসের সঙ্গে সমন্বয় করে খাবার পাঠাতে প্রস্তুত।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, গাজায় বর্তমানে কমপক্ষে ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ২০ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামাস এখন পর্যন্ত কোনো আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাকে জিম্মিদের কাছে পৌঁছাতে দেয়নি।
শনিবার হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড একটি ভিডিও প্রকাশ করে। তাতে গাজার একটি সরু সুড়ঙ্গে বন্দি এক ইসরায়েলি যুবকের শোচনীয় অবস্থা দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি অত্যন্ত দুর্বল, জামাহীন অবস্থায় এবং অপুষ্টির শিকার বলে মনে হয়।
এএফপি ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওতে দেখা যুবক এভিয়াতার ডেভিড। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় তিনি দক্ষিণ ইসরায়েলের নোভা সঙ্গীত উৎসবে অংশ নিয়ে আটক হন। পরে তাকে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় ইসরায়েলসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র হামাসের এ আচরণের নিন্দা জানিয়েছে। ইসরায়েল এ অবস্থায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানিয়েছে।
