ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবির কতৃক জামায়াতের দণ্ডপ্রাপ্ত নেতাদের ছবি প্রদর্শনীর প্রতিবাদে মশাল মিছিল এবং রাজাকারদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একদল প্রগতিশীল শিক্ষার্থী।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হল ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে রাজাকারের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা। এতে ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট (একাংশ) জাবি শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের একাংশের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আগামীতে কিংবা বর্তমানে যেকোনো সময়, যেকোনো উছিলায় যদি রাজাকারকে ‘নরমালাইজ’ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে স্বাধীনতাকামী ছাত্র জনতা কোনোভাবেই তা বরদাশত করবে না। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সকলকে স্বাগত জানাতে চাই, কিন্তু গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ, গণহত্যা সহযোগী জামায়াত ও শিবিরকে কখনোই আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক মনে করি না।”
এসময় বাংলা বিভাগের ৪৯ তম ব্যচের শিক্ষার্থী আ র ক রাসেল বলেন, “যে রাজাকাররা বাংলাদেশের জাতির পতাকাকে খামচে ধরেছিল সেই রাজাকারদের ছবি গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির কতৃক প্রদর্শনী করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী এদেশের রাজাকারদের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। সেই রাজাকারদের ছবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হওয়ার মতো কষ্টের আর কিছু হতে পারে না।”
