স্থলপথে পাটপণ্য রপ্তানিতে ভারতের নতুন বিধিনিষেধ

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৪ পিএম

স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্ট কিছু পাটজাত পণ্য ও দড়ি রপ্তানিতে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। সোমবার (১১ আগস্ট) দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিএফটিআই) -এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। খবর এনডিটিভি

ডিএফটিআই-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এসব পণ্য কেবলমাত্র মহারাষ্ট্রের নাভা শেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনো স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি অনুমোদিত নয়। বাংলাদেশ থেকে ভারতের নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।’

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে – ব্লিচ করা ও না করা পাট বা অন্যান্য তন্তুযুক্ত বস্ত্রজাত কাপড়; পাটের দড়ি, রশি, সুতা; এবং পাটের তৈরি বস্তা ও ব্যাগ।

এর আগে ২৭ জুন ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন পাটজাত পণ্য ও বস্ত্রজাত কাপড় স্থলপথে রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছিল। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রযোজ্য হয় পাটজাত পণ্য, ফ্ল্যাক্সের বর্জ্য, একক বা বহুগুণিত সুতা, এবং ব্লিচ না করা বস্ত্রজাত কাপড়ের ওপর।

তবে সেইসব পণ্যের রপ্তানিও শুধু নাভা শেবা বন্দরের মাধ্যমে অনুমোদিত ছিল।

এপ্রিল ও মে মাসেও ভারত একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল বাংলাদেশের ওপর। গত ১৭ মে ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের রপ্তানির ওপর নির্দিষ্ট বন্দর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। ৯ এপ্রিল ভারত বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করতো – তবে নেপাল ও ভুটান এই সিদ্ধান্তের বাইরে রয়েছে।

বাংলাদেশ পাট ও টেক্সটাইল শিল্পে ভারতের বড় প্রতিযোগী। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ছিল ১২.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪-২৫ সালে ভারতের রপ্তানি ছিল ১১.৪৬ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২ বিলিয়ন ডলার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত