বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে আসা পাবলো গাভি ও ফেরমিন লোপেজ—দুই তরুণ মিডফিল্ডারের বন্ধুত্বে নেমে এসেছে শীতলতা। ইতালীয় ক্রীড়া দৈনিক কোরিয়ের দেল্লো স্পোর্তের দাবি, তাদের এই সম্পর্কের টানাপোড়েনের পেছনে রয়েছে মাঠের বাইরের এক অদ্ভুত কারণ—প্রেমিকাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া তীব্র বিরোধ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাভির প্রেমিকা আনা পেলায়ো এবং ফেরমিনের সঙ্গী বার্তা গ্যালার্দো, যারা দু’জনেই সেভিলার ইনফ্লুয়েন্সার, সম্প্রতি অনলাইনে অপমানজনক মন্তব্য বিনিময় করেছেন। এই বিরোধ নাকি দুই ফুটবলারের সম্পর্কেও ছাপ ফেলেছে।
ঘটনাটি তীব্র আকার ধারণ করে যখন ফেরমিন লোপেজ ইনস্টাগ্রামে একটি রহস্যময় বার্তা পোস্ট করেন, যা পরে মুছে দেন। সেখানে লেখা ছিল, “মন্দ মানুষ কখনো জেতে না। যারা চোখ ফিরিয়ে নেয়, যারা বিশ্বাসঘাতকতাকে জীবনযাপন বানায়, আর কাপুরুষতাকে পতাকা বানায়—তারাও না। তারা প্রতিদিন হারে, কারণ প্রতিদিন সকালে তারা যে মুখোশ পরে, তা একসময় খুলে যায়, আর তখনই বিশ্ব তাদের আসল রূপ দেখে।”
এ পোস্ট অনেকেই গাভি ও তাঁর প্রেমিকার উদ্দেশে লেখা বলে ধরে নেন, বিশেষত গত ৫ আগস্ট গাভির জন্মদিনে ফেরমিন শুভেচ্ছা না জানানোয় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।
মিডিয়া আরও জানায়, বার্তা গ্যালার্দোর এক বন্ধু জাহারা, গাভির সঙ্গে আনা পেলায়োর সম্পর্কের আগেই তাঁর প্রতি আগ্রহী ছিলেন। গাভি–আনা সম্পর্কের ঘোষণা আসার পর জাহারা নাকি একটি টিকটক ভিডিওতে আনার কটাক্ষ করেন। গাভি ও আনা কোনো প্রতিক্রিয়া না দেওয়ায় বিষয়টি অসম্মান হিসেবে ধরা হয়।
এদিকে, ফেরমিন ও বার্তার সম্পর্কেও সাময়িক ভাঙন ধরে, যা ডমিনিকান রিপাবলিকে ছুটি কাটানোর পর একে অপরকে আনফলো করার মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। যদিও কয়েক দিনের মধ্যে তারা আবার একত্রিত হন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম 'দারিও স্পোর্ত' দাবি করেছে, সম্প্রতি গাভি ও ফেরমিনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় এবং পরিস্থিতি এমন হয় যে, সতীর্থদের হস্তক্ষেপে দু’জনকে আলাদা করতে হয়। গাভি নাকি এরপর সরাসরি ক্লাব কর্তৃপক্ষকে লোপেজকে বিক্রি করার অনুরোধ জানান বলেও অভিযোগ উঠেছে।
যদিও বিষয়টির সত্যতা যাচাই কঠিন, তবে গুজবের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে, আর কাতালান জায়ান্টের ড্রেসিংরুমে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্ট।
দক্ষিণ আফ্রিকার 'বেবি এবিডির' ৪১ বলে টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি