আগের দিনই নেপালের বিপক্ষে ২৩ বলে অপরাজিত ৪৮ করেছিলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। আজ বিগ ব্যাশের দল পার্থ স্করচার্সের একাডেমির বিপক্ষেও আফিফ অপরাজিত ছিলেন ৪২ রানে। কিন্তু এই ইনিংসের জন্য তার খেলতে হয় ৪৯ বল। কেননা টি-টোয়েন্টির স্বভাবজাত ব্যাটিংটুকু করার সুযোগই আফিফ পাননি অন্যান্য সতীর্থদের ব্যর্থতায়। ফলও হয়েছে তাই ৫ উইকেটে পার্থের একাডেমিটির কাছে হার মানতে হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে।
এই দলটার কাছেই আগের দিন পাকিস্তান শাহিনস আত্মসমর্পণ করে ১১১রানে। তারপরও অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনের মারারা (টিও) স্টেডিয়ামে এমন ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। পুরো কুড়ি ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ তোলে ১২৩ রান। আর সেই রান দুই ওভার ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় স্করচার্স একাডেমির ব্যাটসম্যানরা।
বাংলাদেশের এত কম রান করার কারণ ব্যাটারদের অহেতুক উইকেট বিলিয়ে আসা। প্রথম দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এ ম্যাচেও অল্প রানে নিজের উইকেট দিয়ে আসেন নাঈম শেখ। করেন ৬ বলে ৫ রান। ওই ধাক্কা সামলানোর আগেই কাট শট খেলে পয়েন্টে ধরা পড়েন সাইফ হাসান। গত ম্যাচে ৭১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলা জিশান আলমকে ১৩ বলে ৯ রানে ফিরতে হয় আম্পায়ারের বিতর্কিত লেগ বিফোরের সিদ্ধান্তে। এর পরই গুটিয়ে নিতে হয় আফিফের হাত। তার সঙ্গে জুটির সম্ভাবনা জাগলেও তা পূর্ণ হয়নি অংকন, সোহান কিংবা মৃত্যুঞ্জয়দের। ৫ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেন রাকিবুল হাসান। কিন্তু কাটা পড়েন রানআউটে। আফিফ ৪ চারে ৪৯ বলে ৪২ রানে থেকে যান ক্রিজের একপ্রান্ত ধরে রেখে। ব্রাইস জনসন ৩টি ও অ্যালবার্ট এসটারহুইসেন ২টি উইকেট নেন।
১২৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করা স্করচার্স একাডেমিকে যতটা সম্ভব আটকে রেখেছিলেন দুই স্পিনার রাকিব, নাঈম ও পেসার হাসান মাহমুদ। রাকিব ১৮ রানে নেন ২ শিকার। নাঈম ২ উইকেট নিতে দেন ৩১ রান। হাসান ১৬ রানে পান ১ উইকেট। পার্থের জোয়েল কার্টিস ৩৪ বলে অপরাজিত ৪৪ এবং টিগে উইলি ২৮ বলে ৩১ রান করেন। ৩ ম্যাচে ১ জয় থেকে পাওয়া ২ পয়েন্ট ও -১.১২ নেট রানরেট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের অষ্টম অবস্থানে রয়েছেন সোহানরা। পরের ম্যাচ ডিএক্সএন অ্যারেনায় স্বাগতিক নর্দার্ন টেরিটরি স্ট্রাইকের বিপক্ষে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায়।
সার্কভুক্ত খেলোয়ার নেওয়ায় বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতির অঙ্ক মিলবে তো
অংকনের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ায় খেলবেন জয় অমিত ইফতিরা 