তৃতীয় ওভারে নাসুম আহমেদকে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন অধিনায়ক লিটন। একাদশে এসে প্রথম বলেই প্রায় উইকেট পেয়ে গিয়েছিলেন। ব্যাটসম্যান ম্যাক্স ও’ডাউড পরাস্ত হলেও অতিরিক্ত বাউন্সে স্টাম্প মিস করে তার ডেলিভারিটি। কিন্তু অপেক্ষা বাড়েনি। পরের বলেই উইকেটের স্বাদ পান নাসুম। লেন্থে করা ডেলিভারিটি মিস হিট করেন ম্যাক্স। সহজেই উচুতে ওঠা বলটি তালুবন্দি করেন তাওহীদ হৃদয়।
পরের বলে আবার চওড়া হাসি ফোটে নাসুমের মুখে। তৃতীয় বলে তুলে নেন নিজের ও দলের হয়ে দ্বিতীয় উইকেট। এবার তার শিকার বনেন তেজা নিদামানুরু। গালি অঞ্চলে পারভেজ ইমনের হাতে ক্যাচ দিয়ে রানের খাতা খোলার আগেই ধরেন সাজঘরের পথ।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ডাচদের ওপর তৃতীয় আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে তৃতীয় বলে তিনি ফেরান ওপেনার বিক্রমজিত সিংকে। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে থাকা তানজিম হাসান সাকিবের মাথার ওপর দিয়ে চালাতে চেয়েছিলেন বিক্রম। কিন্তু সফল হননি। ধরা পড়েন তানজিমের হাতে। ৪ চারে ১৭ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলেন বিক্রম।
পরের বলেই নাসুমের মতো জোড়া শিকারের আনন্দে ভাসতে পারতেন তাসকিন। কিন্তু এবার থার্ডম্যান অঞ্চলে তানজিমই ফেলে দেন ক্রিজে নতুন আসা শারিজ আহমেদের ক্যাচ। পাওয়ার প্লে শেষে ৩ উইকেট ৪০ রান তোলে নেদারল্যান্ডস।
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বিসিবি নির্বাচন, বিপিএল আয়োজনের দায়িত্বে আইএমজি
তিন ম্যাচ পরই টেন হ্যাগকে বরখাস্ত করলো লেভারকুসেন