ঈদে মিলাদুন্নবী হলো প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মদিন। এই দিন মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া মধ্যে দিয়ে নবীজিকে স্মরণ করে থাকেন। এর পাশাপাশি কিছু উত্তম আমল করা যেতে পারে। যেমন-
কুরআনা তিলাওয়াত: বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা। তবে বেশি উত্তম অর্থসহ বোঝার চেষ্টা করা।
দরুদ শরিফ পাঠ: রাসূলের ওপর অধিক দরুদ পাঠ করা। যেমন: اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ
`হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এবং ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী।‘
নফল নামাজ: দিনে-রাতে নফল নামাজ আদায় করা। বিশেষত তাহাজ্জুদ, ইশরাক বা অন্যান্য নফল ইবাদত।
দোয়া ও ইস্তিগফার: নিজের, পরিবারের, মুসুলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
সদকা ও দান: গরীব ও দুঃখী, এতিম ও অভাবীদের সহায়তা করা।
জিকির ও ইবাদত: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি জিকির বেশি বেশি করা।
নবীজির জীবনী আলোচনা: তাঁর জীবন, আদর্শ, দয়া, চরিত্র ও ত্যাগ সম্পর্কে আলোচনা শোনা বা করা।
এই দিন বিশেষভাবে তাওবা করে গুনাহ থেকে মাফ মাফ চাওয়া এবং ভালো কাজে প্রতিজ্ঞা করা।
