ব্রাজিলিয়ান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি আবারও বদলি নেমে নায়ক হয়ে উঠলেন আর্সেনালের জন্য। পাঁচ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার বেঞ্চ থেকে নেমে গোল করলেন তিনি। যোগ করা সময়ে তাঁর নিখুঁত লবেই ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হার এড়াল মিকেল আর্তেতার দল। ম্যাচটি শেষ হলো ১-১ সমতায়।
ইতিহাদে খেলার নবম মিনিটেই আর্সেনালের রক্ষণ ভেদ করে গোল করেছিলেন আর্লিং হালান্ড। এরপর সিটির দৃঢ় রক্ষণে মনে হচ্ছিল আর্সেনাল হতাশাজনক হার নিয়েই মাঠ ছাড়বে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইবেরেচি এজের লম্বা পাসে বল পেয়ে গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মাকে পরাস্ত করে গোল করেন মার্তিনেল্লি।
এই ড্রয়ের ফলে লিভারপুলের থেকে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকল আর্সেনাল। টানা পাঁচ ম্যাচ জেতা লিভারপুল তালিকার শীর্ষে। আর পেপ গার্দিওলার সিটি পিছিয়ে রইল আট পয়েন্টে।
এর আগে আর্সেনাল এ মৌসুমে খোলা খেলায় কোনো গোল হজম করেনি। তবে হালান্ড সেই রেকর্ড ভাঙলেন মাত্র আট মিনিট ৩১ সেকেন্ডে। গ্যাব্রিয়েলকে বোকা বানিয়ে রেইন্ডার্সকে পাস দেন তিনি, যেখান থেকে আবার বল ফিরে আসে হালান্ডের কাছেই। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান নরওয়েজিয়ান তারকা। এটি ছিল চলতি মৌসুমে তাঁর ১৩তম গোল, আর আর্সেনালের বিপক্ষে লিগে সপ্তম ম্যাচে পঞ্চম গোল।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও নিয়ন্ত্রণে সিটি ছিল এগিয়ে। আর্সেনালের একমাত্র অন-টার্গেট শট আসে নোনি মাদুয়েকের পা থেকে, যা রুখে দেন ডোনারুম্মা।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি পাল্টাতে দ্রুতই সাকা ও এজেকে নামান আর্তেতা। এজের শট ও জুবিমেন্ডির প্রচেষ্টায় কিছুটা চাপ তৈরি হয় সিটির ওপর। তবে হালান্ডের সামনে আবারো সুযোগ এসেছিল, কিন্তু জেরেমি ডোকুর অসাধারণ পাস থেকেও গোল করতে পারেননি তিনি—বল সোজা ডেভিড রায়ার হাতে জমা হয়।
৭০ মিনিটের দিকে লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ডের পাস থেকে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হলেও রুবেন দিয়াস বল ক্লিয়ার করে দেন। এরপর ৮১ মিনিটে মার্তিনেল্লিকে নামানো হয়।
খেলায় ৭ মিনিট যোগ করা সময়ের মধ্যে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। এজের ওভার দ্য টপ পাসে এগিয়ে গিয়ে দারুণ ফিনিশিং করেন মার্তিনেল্লি। এই গোলই আর্সেনালকে রক্ষা করে দেয় নিশ্চিত হারের হাত থেকে এবং তাদের শিরোপা অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট এনে দেয়।
