তথ্য উপদেষ্টা পদ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানালেন মাহফুজ আলম। ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবিকেই তিনি এর কারণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গত দুই মাস ধরে আমি অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি যে আমি কখন নেমে যাই। মানে আমি কখন নামব আমি জানি না।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহফুজ আলম বলেন, গণমাধ্যমকে সব গোষ্ঠী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে তিনি মনে করেন, এ সবই নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর।
তিনি আরও বলেন, সিভিল-মিলিটারি আমলাতন্ত্রকে ফ্যাসিস্টমুক্ত না করে মিডিয়াকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করা সম্ভব নয়। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানান তথ্য উপদেষ্টা।
বিগত দুই মাস ধরে উপদেষ্টা পদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। কারণ হিসেবে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মে মাস থেকে ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগ চাওয়ার কথা জানান।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, গত দুই মাস ধরে আমি অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি যে আমি কখন নেমে যাই। মানে আমি কখন নামব আমি জানি না।
মাহফুজ আলম বলেন, মে মাস থেকে রাজনৈতিক দলগুলো বলা শুরু করল যে ছাত্র উপদেষ্টাদের পদত্যাগ চাই। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর স্লোগান তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে শুনতে পেতেন বলেও জানান তিনি।
বৈঠকের অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিগত সরকারের আমলে গণমাধ্যমে যে অনিয়ম ছিল, তা থেকে মুক্ত করার সুযোগ থাকলেও অন্তর্বর্তী সরকার তা করেনি। কোনো কোনো গণমাধ্যমের চরিত্র সরকার বদলালে বদলে যায় বলেও মন্তব্য করেন তারা।
আলোচকরা সংবাদ প্রকাশে এজেন্সিগুলোর নিয়ন্ত্রণেরও অভিযোগ করেন। তাদের মতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলেই হলুদ সাংবাদিকতা কমে আসবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএস প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।
