নির্বাচনে তামিম কেনো থাকলেন না- আক্ষেপ অন্য প্রার্থীদের

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১৬ পিএম

‎বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা সরব হলেও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের অনুপস্থিতি নিয়ে আফসোস ঝরল অনেকের কণ্ঠে। মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে শুক্রবার প্রচারণা ও আলাপচারিতার মধ্যে একাধিক প্রার্থী প্রকাশ করেছেন তাদের হতাশা।

‎ঢাকা মেরিনার ইয়াং ক্লাবের কাউন্সিলর শানিয়ান তানিম বলেন,“আমি অনেক চেষ্টা করেছি তামিমকে বোঝাতে যে ওর থাকা উচিত ছিল। আমরা একসঙ্গে স্বপ্ন দেখেছিলাম। শুধু তামিম নয়, আরও কিছু যোগ্য প্রার্থী ছিলেন যাঁরা সরে গেছেন। আসলে তাঁদের থাকা দরকার ছিল।”

‎ক্যাটাগরি-৩ থেকে প্রার্থী হওয়া দেবব্রত পালও তামিমের অনুপস্থিতিকে বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন,“তামিম ইকবাল আমাদের সাবেক অধিনায়ক। দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলেছি, সম্পর্কও গভীর। ওর না থাকা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট দিয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি আসাটা কখনোই ভালো কিছু নয়।”

 ‎
‎তবে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের কাউন্সিলর লুতফর রহমান মনে করেন, নির্বাচনে সবার উপস্থিতি হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রাণবন্ত হতো। তাঁর ভাষায়,
“তামিম-ফাহিমরা থাকলে নির্বাচনটা আরও ভালো হতো। সবাইকে নিয়েই উন্নতি সম্ভব, একা কারও পক্ষে নয়। সুযোগ থাকলে দুই পক্ষ মিলে ভোট হলে সেটাই হতো দেশের ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে ভালো।”

‎তামিমের সঙ্গে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়া দুজন রফিকুল ইসলাম বাবু ও মির্জা ইয়াসির আব্বাস বৃহস্পতিবার নির্বাচনের সময় যেন পুনর্নির্ধারণসহ তিনটি দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁদের ওই দাবির সঙ্গে কেউই যদিও সহমত জানাননি।

‎রূপগঞ্জ টাইগার্সের কাউন্সিলর আদনান রহমান দীপন বিষয়টিকে তামিমের প্রার্থীতা প্রত্যাহারকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন,“এটা ওনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এখন যারা আছি আমরা সংগঠক এবং খেলার মাঠের সঙ্গে যুক্ত মানুষ। আমাদের লক্ষ্য ক্রিকেটের উন্নতি।”

‎প্রসঙ্গত, সভাপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেও নির্বাচনে ‘ফিক্সিংয়ের’ অভিযোগ তুলে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ান তামিম। তাঁর সঙ্গে আরও ১৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। যদিও তামিম আগেই সতর্ক করেছিলেন, এবারের ভোট “কালো দাগ” হয়ে থাকবে।

‎আগামী সোমবার বিসিবির নির্বাচন। ৬ পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেদিন ১৭ পরিচালকের জন্য ভোট হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত