সিলেটে নাসির বিজয়ের দিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সিলেটে আউটার স্টেডিয়ামে ইরফান শুক্কুরের ব্যাটে চড়ে চট্টগ্রাম ১৩৮ রানের সংগ্রহ পায়। ১২ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য ছোঁয় রঙপুর। ম্যাচসেরা হন নাসির। পরের ম্যাচে ব্যাটে ঝলক দেখান এনামুল হক বিজয়। বিজয়ের দিনে জয় পেয়েছে খুলনাও। বরিশালকে তারা হারায় ৮ উইকেটে।
অন্যরা কেউ বিশের ঘর পেরোতে না পারলেও শুক্কুর ৪৬ বলে ৭ চার ও ৩ ছয়ে ৬৪ রান করেন। তার ইনিংসও হার ঠেকাতে পারেনি চট্টগ্রাম। রংপুরের হয়ে আবদুল গাফ্ফার ৩ ও মুশফিক হাসান ২ উইকেট নেন।
রানতাড়ায় ১২ রানে প্রথম উইকেট হারালেও ওপেনার জাহিদ জাভেদ ও নাসির হোসেনের ব্যাটে জয়ের ভিত গড়ে ফেলে রংপুর। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে এক উইকেট পেলেও নাসির হোসেন দিয়ে ফেলেছিলেন ৩৮ রান। পরে অবশ্য ব্যাট হাতে পুষিয়ে দিয়েছেন। তিনি ৩২ বলে ৪৩ রান করেন। নাসির আউট হওয়ার আগে জাহিদের সঙ্গে তার জুটি হয় ৭৮ রানের। একটু পর অবশ্য জাহিদও বিদায় নেন ৩৯ রান করেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন ৪ রান করে আউট হলে আকবরের ক্যামিও সহজেই রংপুরকে জিতিয়ে দেয়। ১৪ বলে ২৬ রানের ইনিংসে ২টি চার ও একটি ছয় হাঁকান অধিনায়ক আকবর। চট্টগ্রামের হয়ে হাসান মুরাদ নেন ২ উইকেট।
বরিশালের দেওয়া ১৩৮ রানের তাড়ায় বিজয় ৭২ রান করেন ৪৭ বলে। ইনিংস সাজান ৬ চার ও ৩ ছয়ের মারে। প্রত্যাশিতভাবেই ৮ উইকেটের জয়ে তিনি ম্যাচসেরা। ৪ ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই রানের দেখা পাওয়া এনামুল এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক। তার ১৫৮ রানের চেয়ে বেশি আছে রাজশাহীর হাবিবুর রহমান সোহান (১৯২) ও চট্টগ্রামের মাহমুদুল হাসান জয়ের (১৬৬)।
সিলেটে ৭ উইকেটে বরিশাল ১৩৭ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল ইফতেখার হোসেন ও ফজলে মাহমুদের ব্যাটে। ইফতেখারের ৩৪ ও মাহমুদের ৩২ রান বাদে আর কেউ ত্রিশের ঘর ছুঁতে পারেননি। খুলনার হয়ে শেখ পারভেজ জীবন ও জিয়াউর রহমান পান ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় এনামুল হককে ৪৩ রানের জুটিতে সঙ্গ দেওয়া ইমরানুজ্জামান আউট হন ব্যক্তিগত ৩০ রানে। এনামুল এরপর আফিফ হোসেনের সঙ্গে জুটি গড়েন। আফিফ ২১ রানের সঙ্গ দেওয়ার পথে এনামুল তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। আফিফ আউট হলে মিঠুন নেমে করেন ৮ রান। বরিশালের হয়ে উইকেট দুটি নেন মইনুল ইসলাম ও জিহাদুল হক।
