২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লিবিয়া-কেপ ভার্দের ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের বিতর্ক। বুধবার ত্রিপোলিতে ম্যাচটি ৩–৩ গোলে ড্র হয়, তবে লিবিয়ার গোলরক্ষক মুরাদ আল উহেশির অদ্ভুত এক গোল খাওয়াকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে ম্যাচটা কি ইচ্ছে করে ছেড়ে দিল লিবিয়া?
ত্রিপোলি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে প্রথম মিনিটেই রবার্তো লোপেসের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গিয়েছিল লিবিয়া। তবে টেলমো আরকানজো দ্রুতই সমতা ফেরান কেপ ভার্দের হয়ে। বিরতির আগে এজু এল মারিয়ামির গোলে আবারও এগিয়ে যায় লিবিয়া।
আফ্রিকান নেশনস কাপের সাবেক চ্যাম্পিয়ন কোচ আলিউ সিসের অধীনে থাকা লিবিয়া দ্বিতীয়ার্ধে এলতাইব মুপতাহ আল শালউইয়ের দুর্দান্ত ফ্রি–কিকে ৩–১ গোলে এগিয়ে যায়। কিন্তু এর পরেই শুরু হয় নাটক। ৬৫ মিনিটের কেপ ভার্দের সিনি কাব্রালের নেওয়া দূরপাল্লার একটি শট যেন নিরীহভাবেই লিবিয়ার গোলরক্ষকের হাত ফসকে জালে ঢুকে যায়। গোলটি এতটাই অস্বাভাবিক ছিল যে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।
একজন ভক্ত লিখেছেন—'আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গোলরক্ষক এমন ভুল করবে? কিছু একটা গড়বড় আছে।' আরেকজন বলেছেন—'সন্দেহজনক! এই গোলটাই কেপ ভার্দেকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছে।' আরেক ভক্ত মন্তব্য করেছেন—'যদি কেপ ভার্দে এই ম্যাচ জিতত, আমি নিশ্চিতভাবে বলতাম—এটা ম্যাচ ফিক্সিং।'
বিতর্কের পর লিবিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, তারা ম্যাচটির তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছে। 'গোলরক্ষক মুরাদ আল উহেশির কিছু ‘চমকপ্রদ ভুলের’ কারণে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচটির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা শুরু করা হয়েছে,' — জানিয়েছে সংস্থাটি।
এই ম্যাচে জয় পেলে 'দ্য মেডিটেরানিয়ান নাইটস' নামে পরিচিত লিবিয়ার বিশ্বকাপ খেলার আশা জোরালো হতে পারত। তাদের সংগ্রহ হতো ১৭। পরের ম্যাচে মরিশাসকে হারালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করতে পারতো তারা। ড্র করে ২০ পয়েন্ট নিয়ে উল্টো কেপ ভার্দে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ তৈরি করেছে। আগামী সপ্তাহে এসওয়াতিনির বিপক্ষে জেতে তবে মাত্র ৫ লাখ জনসংখ্যার দেশটি প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতো।
শামিত জামাল ফাহামিদুলকে ছাড়াই কাবরেরার একাদশ
আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল-স্পেনের ফুটবলাররা জাল নথি দিয়ে মালয়েশিয়ান হতে চেয়েছিল