হংকংয়ের বিপক্ষে ঢাকায় শেষ মুহূর্তে হারের হতাশা নিয়েই পরদিন সকালে হংকংয়ের বিমানে চড়েছেন জামাল ভূঁইয়ারা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক জানালেন, মাঠে নামলে দলকে পাল্টে দেওয়ার আত্মবিশ্বাস ছিল তাদের।
জামাল বলেন, “আমি, শমিত, ফাহামিদুল, জায়ান যখন একসঙ্গে ওয়ার্ম-আপ শুরু করেছি, তখন ওদের বলেছি—আমরা যখন নামব, তখন ম্যাচের গতিপথ বদলাতে হবে। আমাদের চারজনের ইমপ্যাক্ট ভালো ছিল। চারজনই শুরুর একাদশে খেলতে চাই। সব মিলিয়ে আমরা ভালো খেলেছি।”
অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, মাঠে না থাকাটা তার জন্য কষ্টকর, "আমি যখন না খেলি, সেটা তো ভুল—এটা আমি বলব। আমি তো সব ম্যাচ খেলতে চাই। কিন্তু দিনশেষে কারা খেলবে সেটা কোচের সিদ্ধান্ত। আমি চাই খেলতে।”
শেষ মুহূর্তে গোল হজমের প্রবণতা নিয়ে জামালের আক্ষেপ, "এই দলের একটা হিস্টরি আছে—আমরা শেষ মুহূর্তে গোল হজম করি। ম্যাচের আগে আলাপ হয়েছিল, পুরো ম্যাচে মনোযোগী থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছিলাম, যদি জিততে চাই বা পয়েন্ট নিতে চাই, পুরো সময় ফোকাস রাখতে হবে। কিন্তু আমরা পারিনি।”
এশিয়া কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন কঠিন সমীকরণ, “আমাদের হাতে তিন ম্যাচ আছে। তিনটি ম্যাচই জিততে হবে। এক পয়েন্ট হারালেই বিদায়। কিন্তু জেতা সম্ভব হবে না কেন?”
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুললেন না অধিনায়ক, "সমর্থকদের ধন্যবাদ। তাদের তিন পয়েন্ট দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। আরও তিন পয়েন্ট ইনশা আল্লাহ আমরা কিছু দিতে পারব।”
১৪ অক্টোবর হংকংয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে দু’দলের ফিরতি লড়াই। এরপর ১৮ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচটি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ ঢাকায় সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।
