৬০০ গোলের মাইলফলক ছুঁলেন লুইস সুয়ারেজ

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:১৫ এএম

উরুগুয়ের ফুটবল ইতিহাসে আরেকটি সোনালী দিন উপহার দিলেন লুইস সুয়ারেজ। এই তারকা ফরোয়ার্ড পেশাদার ফুটবলে ৬০০ গোলের ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন। রবিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট লডারডেলে মেজর লিগ সকার (এমএলএস)-এর ম্যাচে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৪–০ গোলের জয়ে গোল করেন এই উরুগুইয়ান কিংবদন্তি। সেটিই ছিল তার ক্যারিয়ারের ৬০০তম অফিসিয়াল গোল।

‘পিস্তলেরো’ খ্যাত লুইস সুয়ারেজই উরুগুয়ের প্রথম ফুটবলার, যিনি পেশাদার ফুটবলে ৬০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। ৩৮ বছর বয়সী এই তারকার মাঝে এখনো থামার কোনো লক্ষণ নেই। ইন্টার মায়ামির হয়ে মেসির পাশে খেলতে গিয়ে তিনি যেন আরও একবার নবজীবন পেয়েছেন। গোলটি করার পর বিশেষ উদযাপনে দেখা যায় সুয়ারেজকে—উঠানো দুই হাত, মুখে চিরচেনা হাসি—যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন, বয়স কেবলই সংখ্যা।

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে লুইস সুয়ারেজের গোলসংখ্যা (অফিসিয়াল ম্যাচ)

দল                          

গোল সংখ্যা

নাসিওনাল (উরুগুয়ে)                

২০

গ্রোনিনগেন (নেদারল্যান্ডস)       

১৫

আয়াক্স (নেদারল্যান্ডস)           

১১১

লিভারপুল (ইংল্যান্ড)             

৮২

বার্সেলোনা (স্পেন)                

১৯৮

আতলেতিকো মাদ্রিদ (স্পেন)         

৩৪

গ্রেমিও (ব্রাজিল)                

২৯

ইন্টার মায়ামি (যুক্তরাষ্ট্র)     

৪২

উরুগুয়ে জাতীয় দল                    

৬৯

মোট গোল সংখ্যা             

৬০০

লুইস সুয়ারেজের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয় উরুগুয়ের ক্লাব নাসিওনাল থেকে। সেখান থেকে ইউরোপে পাড়ি দিয়ে একে একে খেলেছেন গ্রোনিনগেন, আয়াক্স, লিভারপুল, বার্সেলোনা ও আতলেতিকো মাদ্রিদের মতো ক্লাবে। প্রতিটি জায়গায়ই নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন পরিপূর্ণ গোলদাতা হিসেবে। বার্সেলোনায় লিওনেল মেসি ও নেইমারের সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন বিখ্যাত “এমএসএন” ত্রয়ী, যা আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা আক্রমণভাগ হিসেবে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে মেসির সঙ্গে আবারও জুটি বেঁধে নিয়মিত গোল করে যাচ্ছেন। যেন ফিরে পেয়েছেন তার পুরনো ধার। ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০টি গোল করে ফেলেছেন সুয়ারেজ। রবিবারের ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘৬০০ গোল কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি আমার জীবনের প্রতিটি কঠিন পরিশ্রম, প্রতিটি ক্লাবের প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন। আমি এখনো খেলা উপভোগ করছি, এবং যতদিন শরীর সাড়া দেবে, গোল করে যাব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত