সাহায্য পেয়েও দারিদ্র্যে আফ্রিকা

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০৫ এএম

বিগত ৫০ বছরে আফ্রিকা মহাদেশে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক সাহায্য  দেওয়া হয়েছে, অথচ যখন এই সাহায্য কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তার তুলনায় আজ আফ্রিকার দারিদ্র্যের হার তিন গুণেরও বেশি। এ নিয়ে লিখেছেন অনিন্দ্য নাহার হাবীব

বিগত ৫০ বছরে আফ্রিকা মহাদেশে ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে, যা স্পেন, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের বার্ষিক উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়েও বেশি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, যখন এই সাহায্য কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তখন আফ্রিকার মাত্র ১১% মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত; অথচ ১৯৯০-এর দশকে সেই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬ %-এ। বর্তমানে এটি প্রায় ৩৮% অর্থাৎ সাহায্য কার্যক্রমের সূচনাকালের তুলনায় এখনো তিনগুণেরও বেশি।

১৯৫০-এর দশকে একজন পশ্চিম ইউরোপীয় গড়ে একজন আফ্রিকানের চেয়ে মাত্র পাঁচ গুণ বেশি ধনী ছিলেন। আজ সেই ব্যবধান ১৩ গুণে পৌঁছেছে। এখনো আফ্রিকার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ প্রতিদিন ৫.৫০ ডলারের কম আয়ে জীবনযাপন করেন এবং প্রায় ৬০০ মিলিয়ন মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা বিশ্ব এর সমাধান হিসেবে একটি সরল যুক্তি দিয়েছে : ‘তারা দরিদ্র কারণ তাদের কাছে যথেষ্ট অর্থ নেই আর সেই ঘাটতি পূরণে আমাদের আরও অর্থ দিতে হবে।’ ঠিক সেই ধারণাতেই, ১৯৬০-এর দশক থেকে আফ্রিকায় বৈদেশিক সাহায্যের প্রবাহ প্রায় ১২০ গুণ বেড়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে কৌশল ইউরোপ ও আমেরিকাকে পরাশক্তিতে পরিণত করেছিল, সেটি আফ্রিকায় কেন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলো? সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, এই সাহায্য শুধু অকার্যকর নয়, বরং আফ্রিকাকে আরও নির্ভরশীল ও দরিদ্র করে তুলছে।

‘মার্শাল প্ল্যান’-এর অনুপ্রেরণা

একসময় বৈদেশিক সাহায্যকে আফ্রিকাকে দারিদ্র্যমুক্ত করার নিশ্চিত উপায় হিসেবে দেখা হতো। এর পেছনে যুক্তিও ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে ‘মার্শাল প্ল্যান’ নামে একই রকম এক সাহায্য কর্মসূচি অত্যন্ত সফল হয়েছিল। যুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে কমিউনিজমের বিস্তারের আশঙ্কা ছিল প্রবল। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এটি ছিল কৌশলগত হুমকি। তাই ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ‘মার্শাল প্ল্যান’ চালু করে, ইউরোপে ১৩ বিলিয়ন ডলার (আজকের হিসেবে প্রায় ১৬০ বিলিয়ন) সহায়তা প্রদান করে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন শুরু করে। ফল ছিল চমকপ্রদ : পরবর্তী দশকে পশ্চিম ইউরোপের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৩৫% বৃদ্ধি পায়। এই সাফল্য দেখে আমেরিকা বুঝতে পারে, সাহায্যের মাধ্যমে তারা নতুন বাণিজ্য সহযোগী ও কমিউনিস্ট-বিরোধী মিত্র গড়ে তুলতে পারে। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি যায় আফ্রিকার দিকে, যেখানে ঔপনিবেশিক শাসনের ক্ষত থাকলেও ছিল বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ ও উন্নয়নের সম্ভাবনা। ১৯৬০-এর দশকে সাব-সাহারান আফ্রিকা প্রতি বছর প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার সাহায্য পেত। নব্বইয়ের দশকে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারে, অর্থাৎ ৪০ গুণ বৃদ্ধি। আফ্রিকা তখন পৃথিবীর সবচেয়ে সাহায্যনির্ভর অঞ্চলে পরিণত হয়, যেখানে উগান্ডা, মালাউই ও বুরকিনা ফাসোর মতো দেশগুলোর বাজেটের ৬০%-এরও বেশি আসত বৈদেশিক সাহায্য থেকে। এত অর্থ ঢালার পরও পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যায়। ১৯৭০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার সাহায্য পাওয়ার পরও আফ্রিকায় গড় আয় কমে যায়। তবুও পশ্চিমা দেশগুলো সাহায্যের পরিমাণ বাড়াতেই থাকে। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা চালু করে, এবং ২০১০ সালের মধ্যে বার্ষিক সাহায্য ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। অথচ দুই দশক পরও ৪০০ মিলিয়ন আফ্রিকান প্রতিদিন ২ ডলারের কম আয়ে বেঁচে আছেন এবং বৈশি^ক বাণিজ্যে আফ্রিকার অংশীদারত্ব ৩%-এর নিচে রয়ে গেছে।

দুর্বল প্রতিষ্ঠান ও দুর্নীতির বিষচক্র

ইউরোপে সাহায্য সফল হলেও আফ্রিকায় ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো ‘প্রতিষ্ঠান’ বা Institutions। প্রতিষ্ঠান বলতে বোঝায় সমাজকে নিয়ন্ত্রণ ও চালিত করার কাঠামো যেমন আইনের শাসন, সম্পত্তির অধিকার, প্রশাসনিক দক্ষতা ও গণতন্ত্র। মার্শাল প্ল্যান শুরুর সময় পশ্চিম ইউরোপে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক কাঠামো, করব্যবস্থা ও বিচারব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। ফলে তারা পুনর্গঠনের উপযুক্ত ভিত্তি পেয়েছিল। কিন্তু আফ্রিকার অনেক রাষ্ট্র তখন সদ্য স্বাধীন এবং তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের সেবার পরিবর্তে সম্পদ আহরণ ও ক্ষমতা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গঠিত ছিল। সেই কারণে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মান আফ্রিকায় ধারাবাহিকভাবে নিচের সারিতে থেকে গেছে।  উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থের বড় অংশই শাসকগোষ্ঠীর হাতে চলে যায়। স্কুল, হাসপাতাল বা রাস্তা নির্মাণের তহবিল প্রায়ই ব্যক্তিগত বিলাসিতায় ব্যয় হয়। অনুমান করা হয়, আফ্রিকা প্রতি বছর প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে হারায় এবং গত ৫০ বছরে প্রাপ্ত মোট সাহায্যের প্রায় ৩০% অপচয় হয়েছে।

জবাবদিহির অভাব ও নির্ভরতার চক্র

সাহায্যের আরেকটি ক্ষতি হলো রাষ্ট্রের জবাবদিহি ভেঙে পড়া। একটি স্বাভাবিক গণতন্ত্রে সরকার করের মাধ্যমে অর্থ পায় আর জনগণ সেই করের বিনিময়ে পরিষেবা দাবি করে। এতে সরকার ও নাগরিকের মধ্যে একটি দ্বিমুখী জবাবদিহির সম্পর্ক তৈরি হয়।

কিন্তু সাহায্যনির্ভর দেশে সরকার জনগণের নয়, দাতাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। ফলে কর না দিলেও জনগণের ওপর সরকারের জবাবদিহি থাকে না। উদাহরণস্বরূপ, মালাউইতে ২০০০-এর দশকে সরকারের বাজেটের ৪০%-এরও বেশি এসেছিল বৈদেশিক সাহায্য থেকে। তবুও যখন বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ হয়েছিল, তখন জনগণের পক্ষ থেকে কার্যকর প্রতিক্রিয়া আসেনি, কারণ সরকার বিদেশি দাতার ওপর নির্ভরশীল ছিল, নাগরিকদের ওপর নয়। এসকল সাহায্য প্রায়ই স্থানীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করে তোলে। সস্তা বিদেশি পণ্যের প্রবাহ স্থানীয় ব্যবসাকে ধ্বংস করে। উদাহরণস্বরূপ, ঘানায় ১৯৯০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ৮০%-এর বেশি দেশীয় টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। বিশ্বব্যাংকের গবেষণাতেও দেখা গেছে, সাহায্য বৃদ্ধির সময় স্থানীয় শিল্পায়ন কমে যায়। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক অর্থ দেশে ঢুকলে স্থানীয় মুদ্রার মান বেড়ে যায়। এতে রপ্তানি পণ্য বিশ্ববাজারে দামে প্রতিযোগিতা হারায়, ফলে রপ্তানি-নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজ আফ্রিকার রপ্তানি জিডিপির মাত্র ২০%, যা সফল এশীয় অর্থনীতির অর্ধেক। বৈদেশিক সাহায্যের বড় অংশই অকার্যকরভাবে বিতরণ হয়।

সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টের ২০১২ সালের গবেষণা অনুযায়ী, সাহায্য প্রকল্পগুলোর ৭০% লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ বা অপ্রভাবশালী হয়েছে। উগান্ডায় সাহায্য হিসেবে পাওয়া চিকিৎসা সামগ্রীর এক-তৃতীয়াংশই নির্ধারিত প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি। ২০১০ সালের হাইতি ভূমিকম্পের পর বিলিয়ন ডলার সহায়তা এলেও এর ১০%-এরও কম স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যয় হয়েছিল; বাকিটা বিদেশি এনজিও ও ঠিকাদারদের হাতে চলে গিয়েছিল।

এর মূল কারণ জবাবদিহির অভাব। কোনো প্রকল্প ব্যর্থ হলেও দাতারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, প্রাপক দেশও তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে পারে না। ফলে কাজের মান উন্নত করার তাগিদ থাকে না।

সফল সাহায্যের উদাহরণ

যদিও আফ্রিকার অনেক দেশে বিদেশি সাহায্যের অর্থ অপচয় ও দুর্নীতির গল্পই বেশি শোনা যায়, তবুও পুরো ছবিটা একরৈখিক নয়। এমন কিছু উদাহরণ আছে যেখানে সাহায্য, সঠিক পরিকল্পনা ও স্থানীয় নেতৃত্বের কারণে প্রকৃত উন্নয়ন এনেছে।

রুয়ান্ডার নাম আজ আফ্রিকান পুনরুত্থানের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার পর দেশটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক অনুদান শুরু জরুরি পুনর্গঠনে নয়, রাষ্ট্র কাঠামো ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রুয়ান্ডা সরকার অনুদানের প্রতিটি প্রকল্পে স্থানীয় অংশগ্রহণ ও জবাবদিহির নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এর ফলাফল হলো, আজ দেশটিতে শিশু মৃত্যুহার অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং টিকাদান কর্মসূচিতে রুয়ান্ডা আফ্রিকার সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রগুলোর একটি। বতসোয়ানার গল্পটিও অনুপ্রেরণাদায়ক। স্বাধীনতার পর দেশটি সঠিকভাবে সাহায্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের আয় পরিচালনা করে আফ্রিকার সবচেয়ে স্থিতিশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করে। বতসোয়ানা দেখিয়েছে, সাহায্য তখনই টেকসই হয়, যখন তা সুশাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘ দৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের সঙ্গে মিলে যায়। ঘানাতেও কিছু ইতিবাচক উদাহরণ আছে, বিশেষ করে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে। ‘ঘানা এডুকেশন ট্রাস্ট ফান্ড’-এর মাধ্যমে প্রবাসী অনুদান ও আন্তর্জাতিক সহায়তা একত্রিত করে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ দেখায়, সহায়তা তখনই ফলপ্রসূ, যখন তা স্থানীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, বাইরের নির্দেশে নয়।

আত্মসমালোচনা থেকে পুনর্জাগরণ

আফ্রিকা মহাদেশটির নিজস্ব চিন্তাবিদরা বহুদিন ধরেই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলছেন। তাদের কণ্ঠ এই বিতর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা ভেতর থেকে দেখেছেন সাহায্যের প্রভাব, আশীর্বাদ হিসেবেও, অভিশাপ হিসেবেও। ডাম্বিসা ময়ো তার আলোচিত বই ডেড এইডে বলেন, বিদেশি সাহায্য আফ্রিকার জন্য উন্নয়ন নয়, বরং নির্ভরতার সংস্কৃতি তৈরি করেছে। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলো সহানুভূতির মোড়কে এমন এক অর্থনৈতিক স্থবিরতা তৈরি করেছে, যেখানে আফ্রিকান সরকারগুলো জনগণের নয়, বরং দাতাদের কাছে দায়বদ্ধ হয়ে পড়ে। তিনি সতর্ক করেছেন, এই পরিস্থিতি যতদিন চলবে, ততদিন আফ্রিকার নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বাধীনতা গড়ে উঠবে না। অন্যদিকে নগুগি ওয়া থিওঙ্গো সাহায্যের সাংস্কৃতিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, বিদেশি সাহায্যের সঙ্গে আসে ভাষা ও চিন্তার প্রভাব, যা ধীরে ধীরে আফ্রিকান মানুষের আত্মপরিচয় ও সৃজনশক্তিকে ক্ষয় করে। তিনি বলেন, কোনো জাতির ভাষা ও সংস্কৃতিকে দমন করা মানে তার মনের জগৎকে দমন করা। তাই

সাংস্কৃতিক মুক্তি ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি কখনো পূর্ণতা পায় না। আরও সমসাময়িক চিন্তাবিদ আশিল এমবেম্বে সাহায্যনির্ভর আফ্রিকার রাজনীতিকে এক প্রকার ‘মৃত্যুর রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এই ব্যবস্থায় জীবনযাত্রার মান নয়, বরং টিকে থাকার অনুমতি নির্ভর করে বাইরের দাতাদের ইচ্ছার ওপর। তার বক্তব্যে স্পষ্ট যে সমাজ অন্যের দয়ার ওপর নির্ভর করে বাঁচে, সে সমাজ নিজের জীবনের সংজ্ঞাও অন্যের হাতে তুলে দেয়।

এই চিন্তাবিদের দৃষ্টিতে সাহায্যের মূল সমস্যা অর্থনৈতিক নয়, বরং নৈতিক ও মানসিক। তারা মনে করেন, আফ্রিকার পুনর্জাগরণ ঘটবে না বিদেশি করুণা থেকে, বরং আত্মনির্ভরতা, সুশাসন ও নিজস্ব সাংস্কৃতিক চেতনা থেকেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত