টোকিওতে জাপানের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হারের পর ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি প্রচন্ড হতাশা প্রকাশ করেছেন। আনচেলত্তির বিশ্লেষণে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জাপানের প্রথম গোল ব্রাজিলকে মানসিকভাবে নড়িয়ে দিয়েছিল, যেখান থেকে দল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
'সব ঠিক নেই, না। যখন দল হারে, আমরা সবাই হতাশ হই—এটা স্বাভাবিক। আমি হার পছন্দ করি না, খেলোয়াড়রাও না। আমাদের এই পরাজয় থেকে শিখতে হবে, যেমনটা ফুটবলে সবসময় হয়,' বলেন ইতালীয় কোচ।
তিনি যোগ করেন, 'আমার মনে হয় ম্যাচে ফাব্রিসিওর ভুলটা (প্রথম গোলের সময়) হওয়ার আগে পর্যন্ত আমরা ভালো নিয়ন্ত্রণে ছিলাম। কিন্তু এরপর কী ঘটেছে, সেটা খুব পরিষ্কার—দলটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় ভুল। আমি বলব না যে দ্বিতীয়ার্ধে আমরা খেলতে পারিনি, বরং প্রথম ভুলের পর মানসিকতা হারানোই আসল ক্ষতি।”
এই ধরনের ব্যক্তিগত ভুল কোনো খেলোয়াড়ের বিশ্বকাপ দলে জায়গা হারানোর কারণ হতে পারে কি না, প্রশ্নে আনচেলত্তির উত্তর ছিল স্পষ্ট, 'ব্যক্তিগত ভুলের কারণে কারও দল থেকে বাদ পড়া উচিত নয়। আমাদের দেখতে হবে, প্রথম ভুলের পর দল কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়। আজ সেটা ভালো ছিল না। আমরা মাঠে ভারসাম্য হারিয়েছি, ইতিবাচক চিন্তা হারিয়েছি। ভবিষ্যতের জন্য এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।'
নভেম্বরে ব্রাজিল জাতীয় দল আবারও মাঠে নামবে দুটি প্রীতি ম্যাচে—সেনেগালের বিপক্ষে ইংল্যান্ডে এবং তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ফ্রান্সে। আনচেলত্তি জানান, এই সময়ও তিনি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও কৌশলগত বিকল্পগুলো পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবেন।
'আমরা আগেও বলেছিলাম—এই সময়টা এবং পরের উইন্ডো আমাদের পরীক্ষার সময়। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতেও আমরা পরীক্ষা চালাব। আজকের ম্যাচটা একটা বড় শিক্ষা দিয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আমাদের অনেক কিছু শিখতে হবে। এটা একটা প্রক্রিয়া—বিশ্বকাপে যেতে হলে আমাদের ভারসাম্য ধরে রাখতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল প্রথম গোলের পর ঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া না দেখানো।'
হংকং এর সঙ্গে ড্র করেও ছিটকে গেলো বাংলাদেশ