গাজায় যুদ্ধবিরতি 'বহাল ও কার্যকর রাখতে' সোমবার ইসরায়েলে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও আগামীকাল তাদের সঙ্গে সশরীরে যোগ দিতে পারেন বলে ইসরায়েলের গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হচ্ছে।
এমন একটি সময় মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরায়েল সফরে গেলেন, যার একদিন আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে গাজায় পুনরায় হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
এ ঘটনায় কমপক্ষে ৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। যদিও হামলার ঘটনার জন্য আইডিএফের পক্ষ থেকে হামাসকে দায়ী করা হয়েছে।
তারা দাবি করেছে, ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রবিবার রাফায় একটি ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি গুলি চালিয়েছে হামাস। এ ঘটনায় তাদের দু'জন সৈন্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে হামাস দাবি করেছে, তারা কোনো ধরনের চুক্তি লঙ্ঘন করেনি, বরং যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নে এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসরায়েল বরং চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে উল্টো অভিযোগ তাদের।
দুই পক্ষের এমন পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ ও হামলার ঘটনার পরও গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর আছে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে জবাবে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘হ্যাঁ, এখনো কার্যকর আছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামাসের হামলার বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হামাস শীর্ষ নেতৃত্বের কেউ চুক্তি লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত নয়, বরং "কিছু বিদ্রোহী" এর সঙ্গে জড়িত।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
