রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের এনএন হিমাগারে নৈশপ্রহরীকে বেঁধে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, সংঘবদ্ধ ডাকাত দল বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে হিমাগারে প্রবেশ করে। এরপর কৌশলে হিমাগারের নৈশপ্রহরী সোহেল রানা, মেশিন অপারেটর মঞ্জুরুল ইসলাম ও সুজন বাবুকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে ফেলেন।
ডাকাতেরা অফিস কক্ষে প্রবেশ করে সিন্দুক ভেঙে ১২ লাখ ৫৪ হাজার ৯২০ টাকা, ৪২ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন, সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক নিয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুরো অফিস কক্ষের ড্রয়ার নিচে পড়ে আছে। মেঝেতে কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ভাঙা সিন্দুকটিও মেঝেতে পড়ে আছে। সেখানে বাঁশের লাঠি ও লোহার পাইপ দেখা যায়।
হিমাগারের মেশিন অপারেটর মঞ্জরুল ইসলাম বলেন, ‘ডাকাতরা হিমাগারে পেছন দিয়ে প্রবেশ করে মেশিন রুমে এসে আমাদের দুজনকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে ফেলে। এরপর আমাকে নিয়ে অফিসের দিকে যায়। ডাকাতদের দিকে তাকানোয় আমাকে বেধরক মারধর করেন। এরপর প্রহরী সোহেল রানাকে বেঁধে ফেলে। তালা কেটে আমাদের দুজনকে অফিস কক্ষে নিয়ে আসেন পরে মেশিন রুম থেকে সাবল আনতে গিয়ে সুজনকেও অফিসকক্ষ নিয়ে আসে ডাকাতেরা। সেখানে সিন্দুক ভেঙে টাকা, টিভি, সিসিটিভির মেশিন নিয়ে চলে যায়। তাদের মুখ মাংকি টুপি দিয়ে ঢাকা ছিল।’
এনএন হিমাগারের ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘রাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে হিমাগার থেকে ফোন করে জানায় হিমাগারে ডাকাত এসেছে। খরব পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে ওসি সাহবেও ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করেন।’
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ফারুক বলেন, খবর পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
