সরকারি অফিসে ঝুড়ি কিনতে ১১ ধাপ! সমালোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০১:১২ পিএম

সরকারি দপ্তরের কাজের ধীরগতি ও জটিল প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে তিনি সরকারি দপ্তরের কাজের জটিল প্রক্রিয়া তুলে ধরেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, সরকারি কোনো অফিসে যদি মাত্র ১০০ টাকার একটি ঝুড়ি কেনার প্রয়োজন হয়, তবু সেটি পেতে পেরোতে হয় একাধিক ধাপ।

তিনি ঝুড়ি কেনার জন্য ১১ ধাপের একটি প্রক্রিয়ার উল্লেখ করেন। তার বর্ণনায়, প্রথমে সংশ্লিষ্ট বিভাগ চাহিদা পত্র তৈরি করে। পরে তা অনুমোদনকারী দপ্তরে যায়, যেখানে বাজেট, আগের কেনা ঝুড়ির ব্যবহার ও মেয়াদোত্তীর্ণের কারণ যাচাই করা হয়।

এরপর নতুন নাকি পুরনো পরিবর্তনের জন্য ঝুড়ি দরকার, সেটি যাচাই করা হয়। প্রয়োজনে পুরনোটির অবস্থা রিপোর্ট আকারে জমা দিতে হয়। যাচাই-বাছাই শেষে চাহিদা অনুমোদন হলে তা ক্রয় বিভাগে যায়।

ক্রয় বিভাগ ক্রয়ের অনুমতি পেলে হিসাব শাখায় টাকা বরাদ্দের আবেদন পাঠায়। হিসাব বিভাগ আবারও যাচাই করে প্রয়োজনীয় টাকা অনুমোদন করে। পরে ক্রয় বিভাগ সরবরাহকারীর কাছ থেকে ঝুড়ি কিনে দপ্তরের গুদামে জমা করে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগ ঝুড়ি নেওয়ার জন্য গুদামে আবেদন করে। সর্বশেষ গুদাম পুরনো ঝুড়ি ফেরত নিয়ে নতুনটি সরবরাহ করে।

এই ১১ ধাপের উদাহরণ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সরকারি অফিসের কাজের ধীরগতি ও জটিলতা এমন পর্যায়ে যে, ছোট একটি ঝুড়ি কেনাও যেন মহাযজ্ঞে পরিণত হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত