‘ডট বল’ নামক মহামারী থেকে বাঁচার উপায় খুঁজছেন তানজিদরা

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:১৯ পিএম

সাদা বলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ডট বল খেলা পুরনো রোগ। ইদানিং সেই রোগ রীতিমতো মহামারী রূপ ধারণ করেছে। ভেন্যু বদল কিংবা উইকেট বদলে গেলেও ডট বলের রোগ থেকে মুক্ত হচ্ছেন না ব্যাটাররা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি হেরে সিরিজ খোয়ানোর পর আবারও শোনা গেল সেই পুরনো প্রতিশ্রুতি।

গতকালের ম্যাচে ১৭ ওভার পর্যন্ত টিকে ৪৮ বলে ৬১ রান করা তানজিদ তামিম দলকে জিতিয়ে আসতে পারেননি। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তরুণ ওপেনার স্বীকার করেন নিজের ব্যর্থতা, ‘ম্যাচ না জিতলে ফিফটির কোনো মূল্য থাকে না। উইকেটটা যেমন ছিল, এখানে সেট ব্যাটসম্যানের শেষ করতে হয়। উইকেট একটু স্টিকি ছিল। ব্যাটে আসছিল না ঠিকমত। নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য এটা একটু কঠিন, ক্রিজে গিয়েই হিট করা। আমার কাছে মনে হয়, আমি যদি শেষ পর্যন্ত থাকতে পারতাম, ম্যাচটা বেরিয়ে যেত।’

জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৫০ রান, হাতে ছিল ৭ উইকেট। প্রতিপক্ষের বোলিং এমন আহামরি কিছু ছিল না। অভিজ্ঞ বোলার বলতে ছিলেন কেবল জেসন হোল্ডার। তার ওপর একের পর এক ক্যাচ ফেলছিলেন ক্যারিবিয়ান ফিল্ডাররা। এই অবস্থায় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হেরে যাওয়াটাই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই কী সহজেই করে ফেললেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। বিশেষ করে জাকের আলী এবং শামীম হোসেন।

এই অবস্থায় অদ্ভুতুড়ে ব্যাটিং শুরু করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। চার-ছক্কা তো দূরের কথা, অনেক বল থেকে তারা সিঙ্গেলও বের করতেও পারেননি। জাকের-তানজিদের ৩০ বল স্থায়ী জুটিতে আসে মাত্র ৩২ রান। তানজিদ তাই বললেন, ‘এই জায়গাটা যদি আমরা একটু ডট বলগুলো কমাতে পারতাম, তাহলে হয়তো আমাদের চাপটা একটু কম হতো। কিন্তু হয় নাই। এটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে যে, কীভাবে ডট বল আরও কম করে খেলাটাকে আগে নিয়ে যাওয়া যায়।’

সবশেষে সেই পুরনো কথাই শুনিয়ে গেলেন বাংলাদেশের তরুণ ওপেনার, ‘হয়তো আমাদের জন্য একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে ওইভাবে ব্যাটসম্যানরা তৈরি করতে পারছি না। আমাদের খুঁজে বের করতে হবে, আমরা কীভাবে ধারাবাহিক হতে পারি এবং কীভাবে এই মাঝের ওভারগুলোতে আরও ডট বলের সংখ্যা কমিয়ে খেলাটাকে বড় করতে পারি। এটাই আমাদের সবাই মিলে খুঁজে বের করতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত