ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্তোস যখন ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সংকটের মুখোমুখি, তখন দলের সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা নেইমার এগিয়ে এসেছেন নিজের সব ঝুঁকি উপেক্ষা করে। বাম হাঁটুর মেনিসকাসে ছেঁড়াধরা চোট থাকা সত্ত্বেও তিনি ফের ট্রেনিংয়ে নেমেছেন—যেখানে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল অবিলম্বে খেলা বন্ধ করে অস্ত্রোপচার করানোর।
অবনমন অঞ্চলে পড়ে থাকা সান্তোসের সামনে মৌসুমের শেষ তিন ম্যাচই বাঁচা–মরার লড়াই। ক্লাবের ঘরোয়া নায়ক নেইমার তাই যেকোনোভাবে মাঠে নামতে চান। কিন্তু ঝুঁকিটা ভয়াবহ—ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যম গ্লোবোর দাবি, “যে কোনো জোরালো ধাক্কাই নেইমারের হাঁটু সম্পূর্ণভাবে ছিঁড়ে দিতে পারে।”
ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে ১–১ ড্র করে সান্তোস ৩৭ পয়েন্টেই আটকে রয়েছে। এরপর ভিটোরিয়ার ৩–১ জয়ে স্যালভাদোর ক্লাবটি অবনমন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসায় চাপ আরও বেড়েছে সান্তোসের ওপর।
চোটের জায়গায় ব্যথা ও হাঁটু ফুলে থাকলেও বৃহস্পতিবার (২৫ তারিখ) তিনি সান্তোসের অনুশীলনে স্বাভাবিকভাবেই অংশ নেন। কোচ হুয়ান পাবলো জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ইনজেকশন নিয়েও খেলতে প্রস্তুত সান্তোসের এই তারকা ফরোয়ার্ড।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাত ২১:৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় কাল সকাল ৬:৩০) ভিলা বেলমিরোতে স্পোর্টের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামছে সান্তোস। নেইমারের উপস্থিতি এই ম্যাচে দলকে এগিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চোট নিয়ে মিরাসোলে বিপক্ষে খেলেছিলেন নেইমার, এরপর ব্যথা বাড়ায় বাইরে থাকতে হয়। তবু বুধবার আবারও মাঠে নেমেছেন তিনি—যদিও কোনো ধাক্কা লাগতে পারে এমন অনুশীলনে অংশ নেননি। বাঁ হাঁটুতে ভারী সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়েই দৌড়ঝাঁপ করেছেন তিনি।
চিকিৎসকদের মতে তাঁর এখনই আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি প্রয়োজন—যা করলে অন্তত এক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
'সমালোচনায় অনেক সময় বাড়াবাড়ি হয়ে যায়', বললেন তাওহীদ হৃদয়