একটা পেনাল্টি শটের গতি কত হতে পারে? সাধারণত ১১২ থেকে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হয়ে থাকে। তাই বলে ১৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা? এই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখালেন সার্বিয়ার গোলরক্ষক ভানিয়া মিলিনকোভিচ–সাভিচ। কোপা ইতালির শেষ ষোলোতে নাপোলি বনাম ক্যালিয়ারির ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই পেনাল্টি শট।
দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে অবিশ্বাস্য এই শট চোখেও দেখা কঠিন ছিল, কারণ বলটি পেনাল্টি স্পট থেকে নেটে পৌঁছাতে সময় নিয়েছে কয়েক মুহূর্তের চেয়েও কম। ইতালিয়ান সাংবাদিক রিকার্দো ত্রেভিসানি বলেছেন, ‘ভানিয়া মিলিনকোভিচ–সাভিচের পেনাল্টিটি ১৩০ কিমি/ঘণ্টা ছাড়িয়েছে। নিশ্চিত হলে এটি ক্লোই কেলির ১১১ কিমি/ঘণ্টাকে পেছনে ফেলবে।’
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতিবেগ ১২৫ কিমি/ঘণ্টারও বেশি ছিল। ২৮ মিনিটে লরেঞ্জো লুকার হেডে এগিয়ে যায় নাপোলি। তবে কিছুক্ষণ পরই সেবাস্তিয়ানো এসপোসিতোর গোলে ক্যালিয়ারি সমতায় ফেরে। দীর্ঘ পেনাল্টি শ্যুটআউটে নাপোলি ৯-৮ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয়। প্রতিটি দল ১০টি করে শট নেয়। সপ্তম রাউন্ডে সেই আলোচিত গোলটি করেন গোলরক্ষক ভানিয়া মিলিনকোভিচ–সাভিচ।
এই জয়ে কোপা ইতালির শেষ আট নিশ্চিত করেছে নাপোলি। ম্যাচ শেষে হাসতে হাসতে মিলিনকোভিচ–সাভিচ বলেন, ‘নতুন অনেক পেনাল্টি টেকার এসেছে। আমার গোলটাই গুরুত্বপূর্ণ। বুয়োনজর্নোর চেয়ে আমি ভালো শট নিয়েছি… তবে আমি শুধু সেভের প্র্যাকটিস করি!’ নাপোলি কোচ আন্তোনিও কন্তে বলেন, ‘দলের লড়াইয়ের মানসিকতা আমাকে সন্তুষ্ট করেছে। সবাই দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে।’
স্কালোনির সম্ভাব্য বিশ্বকাপ দল প্রায় চূড়ান্ত; কার কার জায়গা হলো?
ব্রিসবেন টেস্ট থেকে বাদ পড়ে বেজায় চটেছেন নাথান লায়ন
আজ বিশ্বকাপের ড্র, যেভাবে বাছাই হবে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ