ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য নির্মিত ফ্ল্যাট নিজেদের জন্য বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সাবেক ১৩ সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তবে দুর্নিতীর সীমাহীন অভিযোগ থাকার পরও এই মামলা থেকে পার পেয়ে গেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য প্রশাসন এসএম লাবলুর রহমান। অথচ রাতের ভোটের কারিগর এসএম লাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প থেকে একটি ফ্লাট পেয়েছিলেন তিনি।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য প্রকল্পের ফ্ল্যাট সচিবরা সস্তায় নিয়েছেন বলে গত জুনে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর দুদকের এনফোর্সমেন্টের অভিযানে এর সত্যতা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়দুল কাদের ছাড়াও মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. আবদুল জলিল এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।
অন্য আসামিরা হচ্ছেন- সাবেক অর্থ সচিব ও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, আইন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রাক্তন সিনিয়র সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন সদস্য জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আজম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) সাবেক সচিব ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
