বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয়ে শোকবই খোলা হয়েছে। শোক বইয়ে স্বাক্ষর করছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা। মঙ্গলবার বিএনপির অফিসিয়াল পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএনপি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর শোক বই খোলা হলে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দল এতে স্বাক্ষর শুরু করেন। বিকাল তিনটা থেকে এই শোক বইয়ে এখন পর্যন্ত ২৮টি দেশের কূটনীতিকরা স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন চীন, ভারত, পাকিস্তান জার্মান, ইরান, ওমান, আলজেরিয়া, কাতার,ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন, ব্রুনাই, ফিলিস্তিন, স্পেনসহ, মরক্কো, ভুটান, ব্রাজিলসহ ২৮টি দেশের কূটনীতিকরা।
আজ বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শোক বই খোলা থাকবে। এছাড়াও আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গুলশান কার্যালয়ে এই শোক বই খোলা থাকবে। অপরদিকে সর্বস্তরের মানুষ নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমবেদনা জানাবেন বলে উল্লেখ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবার ৩টার দিকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। পরে তিনি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপরে আসেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। তিনিও তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বেলা ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে তারেক রহমান গুলশানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। এরপর শোকবইয়ে স্বাক্ষর করতে আসেন সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও ইরান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা। বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানের এই কার্যালয়ে এসে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
