রাজধানীর গুলশানের ফিরোজার পাশের লাগোয়া বাসাটি হচ্ছে ১৯৬নং বাসা। এটি খালেদা জিয়ার নামে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সরকার বরাদ্দ দিয়েছিল ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরে তার পরিবারকে।
এই বাড়িটির দলিলসহ কাগজপত্র বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ফিরোজায় এসে বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন কয়েক মাস আগে। সেই বাসাটিতে উঠেছেন তারেক রহমান।
সেই বাসার সামনে নিরাপত্তা কর্মীরা যারা দায়িত্বরত তাদের মধ্যেও শোকের ছায়া। গুলশান এভিনিউ ডিপ্লোমেটিক জোনের মধ্য পড়ায় সেখানে নেতা-কর্মীদের ভিড় সেভাবে নেই। তবে যৎসামান্য যারা আছেন তাদের মধ্যে গুলশানের বাসিন্দা হাসানুজ্জামান খান বলেন, এই কাছাকাছি থাকি। বিকালে হেঁটে একটু আসলাম এই বাড়ির সামনে।
কঠোর নিরাপত্তা দেখতেই পারছেন। ম্যাডাম নেই, এখন ভরসার জায়গাটা তারেক রহমান। সেইজন্য এখানে এসে কিছু শোকের সঙ্গী হচ্ছি। জানি, লিডারের এই শোক শুধু তার একার শোক নয়, এটা আমাদের সকলে শোক, এটা আমাদের গণতন্ত্র প্রিয় বাংলাদেশিদের শোক।
মায়ের চলে যাওয়ার শোকে আচ্ছন্ন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সারাটি সময় পার করেছেন দোয়া-দরুদ ও নামাজে।
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গতকাল রাতে এবং আজকে বিকাল পর্যন্ত বাসায় ম্যাডামের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ইবাদত বন্দেগিতে ছিলেন।
দোয়া-দরুদ, কোরআন তেলোয়াত করেছেন। আত্মীয় স্বজনরা অনেক বাসায় এসেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সান্ত্বনা জানাতে।
সেই সময়ে পারিবারিক পরিমণ্ডলে ম্যাডামের স্মতিময় ঘটনার কথা বলেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাদেরকে, আবেগ তাড়িত হয়েছেন, শোকাচ্ছন্ন হয়েছেন সেই সময়তো স্বজন সান্ত্বনা দিয়েছেন তাকে।
বিকাল সাড়ে চারটার দিকে বাসা থেকে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আসেন। এখান তিনি অফিস করছেন নিজের চেম্বারে।
