সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, নানা শর্তের কারণে তারা পুরো পাওনা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। এক শাখার গ্রাহক অন্য শাখায় গেলে অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রাথমিকভাবে চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা তুলতে পারছেন গ্রাহকেরা। বাংলাদেশ ব্যাংক নিশ্চিত করেছে, গ্রাহকদের আমানত পুরোপুরি নিরাপদ থাকবে।
এ প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের সাথে বিগত সময়ে আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন। ফলে শাখাগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও সময়ক্ষেপণের ঘটনা ঘটছে। অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম চললেও এক শাখার গ্রাহক অন্য শাখা থেকে টাকা তুলতে পারছেন না।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও টাকা তুলতে না পেরে অনেক গ্রাহক অধৈর্য হয়ে পড়ছেন। তবে অনেকে শেষ পর্যন্ত নিজের জমানো টাকা ফেরত পেয়ে স্বস্তিতে ঘরে ফিরছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রাথমিকভাবে আমানতকারীরা চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা নিতে পারছেন। ধীরে ধীরে সব ধরনের গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
গ্রাহকদের অর্থ ফেরত ছাড়াও টাকা জমা, ঋণপত্র খোলাসহ বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায়।
