তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দুইদিনের সংঘর্ষে মোট ২৭ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে হামলা সংঘর্ষের ঘটনায় কোন পক্ষই বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ বা মামলা করেনি।
কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের মাইজপাড়া এলাকার কাচারি রোড ও চিরাং রোড থেকে বাট্টা গ্রামের নির্মাণাধীন সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পর্যায়ক্রমে এ সকল সংঘর্ষে গত মঙ্গলবার ১২ জন ও আজ বুধবার ১৫ জন আহত হয়।
কেন্দুয়া থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া চিরাং ইউনিয়নের সরকারি একটি হালট (ছোট রাস্তা) মেরামতের কাজ চলছিল। এই কাজের জন্য নেওয়া সরঞ্জামগুলো পাশের জমিতে রাখা হয়। ইট সুরকি জমিতে রাখা নিয়ে দ্বন্ধ বাধে পূর্ব থেকে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের লতিফ মিয়া ও এখলাছ মিয়া গ্রুপের মধ্যে চলমান বিরোধ চাঙ্গা হয়ে পড়ে। এরই জেরে গত মঙ্গলবার প্রথম দফায় দিনব্যাপী সংঘর্ষের পর সেই রেশে বুধবার সকালেও গ্রামের সড়কে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশীয় কুচ বল্লমসহ সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়াদের মাঝে বুধবার ১৫ জন আহত হয় এবং মঙ্গলবার ১২ জন আহত হন। আহতদেরকে স্থানীয় কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সরকারি হালটের রাস্তার অংশ ব্যবহারকে কেন্দ্র করে জীবন ভূঁইয়া ও চন্দন মিয়া পক্ষের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই বুধবার সকালে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গেলে এক পক্ষের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতের মধ্যে মনির মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, বুধবার ১৫ জনের মতো আহত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সহ দুইদিনের ঘটনায় কোন পক্ষই মামলা করেনি। অভিযোগ দিলে সেই অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খালেদা জিয়ার অবস্থান মানুষের হৃদয়ে