তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের ৩২তম বিবাহবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি)। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে একসাথে নানা সংগ্রাম ও সফলতা অর্জন করেছেন।
ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। তিনি ১৯৭২ সালের ১৮ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান। যিনি নৌবাহিনী প্রধান এবং পরবর্তীতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর ভাতিজি এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খানের চাচাতো বোন।
জুবাইদা রহমান উচ্চশিক্ষিত ও সফল চিকিৎসক হিসেবে সমাজে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছেন। ১৯৯৫ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর ২১তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ২০০৮ সালে লন্ডনে গিয়ে ইম্পেরিয়াল কলেজে কার্ডিওভাসকুলার সায়েন্সে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। তার হৃদরোগ গবেষণা ও একাডেমিক কাজগুলো লন্ডনের চিকিৎসা মহলে প্রশংসিত।
২০০৮ সালের পর দীর্ঘ সময় সরকারি চাকরি থেকে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাঁর বিসিএস ক্যাডার বাতিল হয়, তবে বর্তমানে সেটি পুনর্বিবেচনার মধ্যে রয়েছে এবং তাকে চাকরিতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাশে থেকে জুবাইদা রহমান বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি লন্ডন থেকে দেশে ফিরে আসেন এবং তারেক রহমানের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।
তাদের একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত।
জুবাইদা রহমানের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে তারেক রহমানের প্রতিষ্ঠিত ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’-এ বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং দাতব্য চিকিৎসালয় পরিদর্শনে নিয়মিত সক্রিয় আছেন।
